জেলা পরিষদ নির্বাচনআওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের লড়াই

দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিতব্য জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বনাম আওয়ামী লীগেই লড়াই হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার মনোনয়ন ফরম জমা দেয়ার শেষ দিনে চেয়ারম্যান পদে ৬১ জেলার কমপক্ষে ৩৫টিতে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। কেন্দ্র থেকে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করে দেয়া হলেও মনোনয়নবঞ্চিতদের অনেকেই স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনের মাঠে থাকতে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ ছাড়া সদস্য পদে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের সহস্রাধিক নেতা। কিছু জেলায় জাসদ (ইনু), জাসদ (আম্বিয়া), ওয়ার্কার্স পার্টি ও জেপিসহ (মঞ্জু) সরকারের অন্য শরিক দলগুলোও প্রার্থী দিয়েছে। তবে এ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারবিরোধী জোট ও সরকারের শরিক জাতীয় পার্টি অংশ না নেয়ায় এখন মাঠে শুধুই আওয়ামী লীগ। সে জন্য আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর মোকাবেলা করতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারবিরোধী জোট ও জাতীয় পার্টি এ নির্বাচনে অংশ না নেয়ার এ সুযোগটা অনেকেই কাজে লাগাতে চাচ্ছেন। বিশেষ করে যেসব জেলায় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে খানিকটা বিতর্কিত প্রার্থী দেয়া সেখানে অপেক্ষাকৃত ‘কিন’ ইমেজের নেতারা মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। তাদের ধারণা, শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে থাকা গেলে বিতর্কিত প্রার্থীর বিপক্ষে জনগণ তাদেরকেই বেছে নেবেন। ফলে দলীয় প্রার্থীকে এসব বিদ্রোহী প্রার্থীর সাথে বেশ হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্মুখীন হতে হবে।
দলের নীতিনির্ধারণী সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন জেলায় বিদ্রোহী প্রার্থীর সাথে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয়ভাবে সমঝোতার চেষ্টা করা হবে। তবে নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য ও জমিয়ে তুলতে শেষ পর্যন্ত বিদ্রোহী প্রার্থীর ব্যাপারে খানিকটা শিথিলতা প্রদর্শন করা হতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য মাহবুবউল আলম হানিফ নয়া দিগন্তকে বলেন, মাত্রই মনোনয়ন ফরম জমা দেয়া হয়েছে। তা প্রত্যাহারের জন্য অনেক সময় আছে। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বলে কিছু নেই। দলের সিদ্ধান্ত আছে, মনোনয়নপ্রাপ্তদের বাইরেও প্রার্থী হওয়া যাবে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে যারা টিকবেন, তাদের মধ্যে মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীর বাইরে কেউ প্রার্থী হয়ে থাকলে তাদের নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার জন্য বলা হবে। আর বিদ্রোহীদের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়া যায় তা সময় এলেই দেখা যাবে। তাই এটি নিয়ে চূড়ান্তভাবে কিছু বলার সময় এখনো আসেনি।
আগামী ২৮ ডিসেম্বর ৬১টি জেলায় জেলা পরিষদ নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করে দিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের বেঁধে দেয়া সময় ঠিক রেখেই ২০ নভেম্বর এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল ১ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ৩ ও ৪ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১১ ডিসেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্দ ১২ ডিসেম্বর। এর আগে ১৯৮৯ সালে তিন পার্বত্য জেলায় একবারই সরাসরি নির্বাচন হয়েছিল। এরপর আর কোনো জেলা পরিষদ নির্বাচন হয়নি। তবে আওয়ামী লীগ মতায় আসার পর ২০১১ সালের ১৫ ডিসেম্বর ৬১ জেলায় দলের জেলা পর্যায়ের নেতাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়। আর তাদের মেয়াদপূর্তিতে এবারই প্রথম জেলা পরিষদে নির্বাচন হতে যাচ্ছে। নির্বাচনী বিধান অনুযায়ী, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন পরো ভোটে। জেলায় অন্তর্ভুক্ত সিটি করপোরেশন (যদি থাকে), উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ভোটে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।
এ দিকে জেলা পরিষদ নির্বাচনে এরই মধ্যে ভোট গ্রহণের আগেই কমপে ৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। তারা সবাই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, যেসব জেলা চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী হয়েছেন তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হবেন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ও প্রত্যাহারের পর তাদের নাম ঘোষণা করা হবে। সে হিসেবে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ও প্রত্যাহারের পর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ীর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যারা জয়ী হতে যাচ্ছেন তারা হলেনÑ ভোলা জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আবদুল মমিন টুলু, গাজীপুরে ডাকসুর সাবেক ভিপি আখতারুজ্জামান, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুজ্জামান টুকু, যশোরে হাদিউজ্জামান, ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সরদার মো: শাহ আলম, জয়পুরহাটে আরিফুর রহমান রকেট, মুন্সীগঞ্জে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, নেত্রকোনায় জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক প্রশান্ত কুমার রায় এবং নারায়ণগঞ্জে মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি আনোয়ার হোসেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অন্তত ৩৫টিতে নিজ দলের বিদ্রোহীদের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে এরই মধ্যে কমপে ৭০ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এ ছাড়া ২১ জেলায় জাতীয় পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (ইনু-শিরীন), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (আম্বিয়া-নাজমুল), গণফোরাম, জাতীয় পার্টিসহ (মঞ্জু) কয়েকটি রাজনৈতিক দলের জেলা পর্যায়ের নেতা ও স্বতন্ত্ররা প্রার্থী হয়েছেন। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যেই। যেসব জেলায় এ অবস্থা বিরাজ করছে তার মধ্যে বরিশালে আওয়ামী লীগ প্রার্থী খান আলতাফ হোসেন ভুলুর বিপক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মইদুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরী ও বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক।
খুলনায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হারুনুর রশীদ, রূপসা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা শেখ আলী আকবর এবং সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা অজয় সরকার চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
সিলেটে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. এনামুল হক সরদার, জিয়াউদ্দিন লালা ও ফখরুল ইসলাম মনোনয়নপত্র জমা দেন।
পটুয়াখালীতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ খান মোশারফ হোসেন এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নূর মোহম্মদ ও জাহাঙ্গীর সিকদার এবং জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ কাজী আলমগীর হোসেন।
পাবনায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি রেজাউল রহিম লাল, বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশাসক আওয়ামী লীগ নেতা এম সাইদুল হক চুন্নু, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক কামিল হোসেন ও জেলা আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ভূমিমন্ত্রীর মেয়ে মাহজাবিন শিরিন প্রিয়া মনোনয়নপত্র জমা দেন।
শরীয়তপুরে দলীয় প্রার্থী হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেদুর রহমান খোকা সিকদার ও স্বতন্ত্র হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আবদুর রব মুন্সী মনোনয়নপত্র জমা দেন।
মাগুরায় দল মনোনীত জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ কুমার কুণ্ডু, জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সম্পাদক রানা আমির ওসমান এবং শ্রীপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কুতুবুল্লাহ হোসেন মিয়া কুটি মনোনয়নপত্র জমা দেন।
পিরোজপুরে আওয়ামী লীগের জেলা সহসভাপতি বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশাসক অধ্য শাহ আলম, যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পিরোজপুর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মশিউর রহমান মহারাজ, জেলা কমিটির বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন মহারাজ মনোনয়নপত্র জমা দেন।
কুমিল্লায় দলসমর্থিত বরুড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও সাবেক নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মো: আবু তাহের এবং সমর্থনবঞ্চিত কুমিল্লা দণি জেলা আওয়ামী লীগের প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বুড়িচং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন স্বপন মনোনয়নপত্র জমা দেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মইনুদ্দীন মণ্ডল, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জিয়াউর রহমান তোতা (বিদ্রোহী), আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট আফসার আলী ও খুরশেদ আলম বাচ্চু মনোনয়নপত্র জমা দেন।
লালমনিরহাটে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সিরাজুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম পাটোয়ারী ভোলা, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব এবং লালমনিরহাট জেলা পরিষদ প্রশাসক আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান মনোনয়নপত্র জমা দেন।
নীলফামারীতে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজুল হক ও বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন মনোনয়নপত্র জমা দেন।
পঞ্চগড়ে বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশাসক আবু বকর ছিদ্দিককে মনোনয়ন দিলেও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম পল্লব, সহ-সাধারণ সম্পাদক এ টি এম সারোয়ার হোসেন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আমানুল্লাহ বাচ্চু বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগ মনোনীত ইউসুফ খান পাঠান, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক খোকা মনোনয়নপত্র জমা দেন।
রাজশাহীতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশাসক মাহবুব জামান ভুলু, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ও ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী সরকার এবং মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অধ্য শফিকুর রহমান বাদশা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
মেহেরপুরে দলের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী ছাড়াও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রসুল, গাংনী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম খোকন ও মুজিবনগর আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াউদ্দিন বিশ্বাস প্রার্থী হয়েছেন।
সাতীরায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হলেন জেলা সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদ্য বিদায়ী প্রশাসক মুনসুর আহমেদ এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: নজরুল ইসলাম।
বগুড়ায় জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও জেলা পরিষদের সদ্যবিদায়ী প্রশাসক ডা: মকবুল হোসেন ও আদমদীঘির আওয়ামী লীগ নেতা সোলায়মান আলী মাস্টার প্রার্থী হয়েছেন।
রাজবাড়ীতে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ফকির আবদুল জব্বার ও রাজবাড়ী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রকিবুল হাসান পিয়াল প্রার্থী হয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী জেলা পরিষদের সদ্যবিদায়ী প্রশাসক ও দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মনজু এবং যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শামসুল আবেদীন খোকন প্রার্থী হয়েছেন।

Facebook Comments
Please follow and like us: