ডোমারে যৌতুকের কারনে ১ম স্ত্রীকে নির্যাতন,অনুমতি ছাড়াই নাবালিকা কে বিয়ে

ক্রাইমবার্তা রিপোট:ডোমার নীলফামারী সংবাদদাতাঃ নীলফামারী জেলার ডোমারে যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে অনুমতি ছাড়াই ৮ম শ্রেনীর নাবালিকা ছাত্রীকে ২য় বিয়ে করেছে আব্দুল মালেক নামে এক দুবাই প্রবাসি।এ বিষয়ে আদালতে মামলা দায়ের ১ম স্ত্রী আছমা বেগম। মামলা সুত্রে যানাযায়, উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের মিরজাগঞ্জ সাফির পাড়া গ্রামের মৃত দবির উদ্দিনের পুত্র আব্দুল মালেকের সাথে ভোগডাবুড়ী সরকার পাড়া গ্রামের মৃত আমিনুর ইসলামের কন্যা আছমা বেগমের সাথে গত ১৩/০৩/২০০১ সালে বিয়ে হয়। সংসার চলাকালীন একটি পুত্র সন্তানের জন্মদেয়। ২০০৯ সালে আব্দুল মালেক প্রবাসে পাড়িজমায়। দির্ঘ ৬বছর দুবাইয়ে অতিবাহিত করার পরে অক্টোম্বর ১৬ সালে স্ত্রী সন্তানের কাছে ফিরে আসে। ভুক্তভুগী আছমা জানান, বিদেশ থেকে আসার পর থেকে টাকার গরমে নতুন বিবাহের জন্য 11উঠেপড়ে লাগে এবং রাতে বে-রাতে মোবাইলে বিভিন্ন মেয়েদের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলতে থাকে। এ বিষয়ে বাঁধা নিষেধ করতে গিয়ে শুরু হয় শারিরিক ও মানষিক নির্যাতন। শেষে ভাইয়ের বাড়ী থেকে যৌতুকের টাকা আনতে ভীষনচাপ সৃস্টি করে। আছমার ভাই টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৮/১১/১৬ তারিখে আব্দুল মালেক সহ তার পরিবারের লোকজন মিলে আছমাকে বেধড়ক মারপিট ও জখম করে বাড়ী থেকে বের করে দেয়। আছমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত সপ্তাহে আব্দুল মালেক ডিমলা উপজেলার ডাঙ্গার হাট এলাকার বুলু মিয়ার কন্যা ও ডাঙ্গার হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের অস্টম শ্রেনীর ছাত্রী স্বপ্না বেগমকে বিয়ে করে বাড়ীতে নিয়ে আসে। স্বপ্নার বাবাকে ১লক্ষ টাকা ও কনের নামে ১বিঘা জমি রেজিস্ট্রি করে দেয় বলে যানাযায়। সেই থেকে আসমা ও তার ছেলে আরাফাত(৬) ভাইয়ের বাড়ীতে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এবিষয়ে আছমা বাদী হয়ে স্বামী ও তার পরিবারের লোকের বিরুদ্ধে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে পিটিশন মামলা নং-৪২৭/১৬ দায়ের করে।

Please follow and like us:
Facebook Comments