গ্রাম বাংলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে বাংলার ঐতিহৃ ঢেঁকি

ক্রাইমবার্তা রিপোট:আকবর হোসেন,তালাঃ গোয়াল ভরা ধান,পুকুর ভরা মাছ,ভাতে মাছে বাঙ্গালী, এটাই ছিলো বাংলার ঐতিহৃ এবং গর্ব । কালের বির্বতনে সেসব হারাতে বসেছি আমরা । ও ভাই ধান ভানো রে ঢেঁকিতে পাড় দিয়া, এমন অনেক গান রচিত হয়েছিলো ঢেঁকী নিয়ে । সেই ঢেঁকী এখন আর দেখায় যায় না । বর্তমান প্রজন্ম অনেকেই ঢেকী কি জিনিস তা চিনতে পারবে না । তখন বাংলাদেশে খুব অভাব ছিলো । কোন রকম এক বেলা খেয়ে না খেয়ে দিন কাটত সবার । ইরি ধান ছিলো বললেই চলে । 19জমিতে ২টি ফসল ফলতো । বিলে লাগানো হতো আমন ধান এবং ডাঙ্গায় লাগানো হতো আওষ ধান । আমন ধান শ্রাবন মাসের শেষে এবং ভাদ্র মাসে প্রথমে মাসে মুলত ধান রোয়া হতো । প্রায় ৯০হতে ১শত দিন লাগতো এই ধান । ধানের এক প্রবাদ আছে । আশ্বিন গেল কার্তিক এলো মা লক্ষী গর্বো পড়লো । হিন্দু মুসলিম মিলে এটা খুব মানতো । তবে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন বেশী মানতো । এখনও এটা করে তবে তেমন একটা না । অগ্রাহয়ন পৌষ মাসে ধান কাটার ধুম পড়ে যেত,কৃষান কৃষানিদের কাজের অন্ত ছিলো না । কৃষকরা অপেক্ষা করে থাকতো কবে ধান কাটবে । কেননা এত অভাব যে, দশ জনের পরিবারে ১কেজি চাউল রান্না করে, ভাতের প্লেটে একবার দিতো, পরে নেওয়ার কোন সুযোগ থাকতো না । সেই জন্য একদিকে ধান কাটার ধুম পড়তো । অন্যদিকে ধান ঝেড়ে শুকানোর ব্যবস্থা করা হতো খুব দ্রত। কোন রকম শুকাতে পারলেই হলো । মা চাচিরা সকালে ভোরে মসজিদে আজান দেওয়ার আগে উঠে চেকিতে ধান ভানতে। ঢকর ঢকর শব্দে ঘুম ভেঙ্গে যেত সবার। সেই যে ধান ভানা শুরু হতো, আর সকাল ৭টা হতে ৮ টা পর্যন্ত চলতো । টেকিতে আবার চিড়া কুটতো , আর পৌষ মাসে বিভিন্ন ধরনের পিঠা তৈরী করার ধুম লেগে যেত । কার আগে কে পিঠা তৈরী কববে সেটার প্রতিযোগীতা লেগে যেত । কালের বির্বতনে সে সব হারিয়ে যেতে বসেছে । আর পিঠা তৈরী করতে হলে চালের গুড়া তৈরী করতে হতো । সেখানো তো ঢেকিতে সিরিয়াল দিতে হতো । গৃহস্থ বাড়ীতে প্রায়ই ঢেকী থাকতো, তবে গরীরদের বাড়ীতে থাকতো না । তারা বলে যেত, বুরে আমি কালকে একটু চাল কুটবো, একটু সময় দিও । মোট কথা মানুষের বিশ্রাম ছিলো, কিন্ত ঢেকীর বিশ্রাম ছিলো না । তখন খুব অভাব, ধান শুকানোর অত সময় অনেকের ছিলো না । ঘরে খাবার নেই, তাই কাঁচা ধান চুলায় ভেঁজে ঢেকীতে ভানতে হতো । সেটাকে বলে ধান উচ্ছনানো । তখন ধান ভাঙ্গা,চাল কুটা তেমন কোন মেশিন ছিলো না । ঢেকীর উপরই নির্ভর ছিলো । নিত্য দিনের সঙ্গী ছিলো এই ঢেঁকী । সেই ঢেকী আজ প্রায় বিলুপ্ত । মাঝে মাঝে ধনী কৃষকের বাড়ীতে আছে । সেটা শুধু তাদের একান্ত ব্যক্তিগত প্রয়োজনে রেখেছেন । এখন দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, ধান ভাঙ্গানো মেশিন মানুষের বাড়ী বাড়ী যাচ্ছে । তাই কষ্ট করে আর ঢেকীতে মা চাচিদের ধান ও ভাঙ্গতে হয়না, চ্উলের গুড়া করতে হয়না । বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে ঢেকী । এখন ঢেঁকী যাদু ঘরে রাখার মত হয়েছে । এসব পুরাতন ঐতিহৃ রক্ষা করা না যায়, তবে বর্তমান প্রজন্মকাছে কিছুদিন পর এটি শুধু গল্প মনে হবে ।

স্বচ্ছতা ও জবাব দিহিতা নিশ্চিত করনে তালা সদর ইউনিয়নে ওয়ার্ড সভা অনুষ্টিত

মোঃ আকবর হোসেন,তালাঃ তালা উপজেলার ১৪মে বিকাল ৫.০০ ঘটিকার সময়, ৬নং তালা সদর ইউনিয়নের এর আয়োজনে, ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বর মফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে, পশ্চিম বারুইহাটি সরকারী প্রাথমিক মাঠ প্রাঙ্গনে, স্বচ্ছতা ও জবাব দিহিতা নিশ্চিত করনে, ৯নং ওয়ার্ডের ২০১৭-১৮ অর্ধ বৎসরের উন্মুক্ত বাজেট এর উপর ওয়ার্ড সভা অনুষ্টিত হয়েছে । উক্ত বাজেট অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা ৬নং সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেন,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বর নাছিমা ইয়াসমিন, ৯নং ওয়ার্ডের পুলিশিং কমিটির সভাপতি খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন,অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুল লতিফ মোড়ল, একটি খামার এর উপজেলা সমন্বয়কারী অফিসার আফজাল বশির,মাঠ সহকারী একটি বাড়ী একটি খামার মোঃ জাহাংগীর আলম, সরদার মজনু রহমান ,যাদু শিল্পি স¤্রাট ও সাংবাদিকসহ এলাকার অসংখ্য ব্যক্তিবর্গ উক্ত বাজেট অধিবেশন ও ওয়ার্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন । এ সময় চেয়ারম্যান সরদার জাকির বলেন, আপনারা এলাকার সমস্যার কথা আমাদের জানান, আমরা সর্বাত্তকভাবে চেষ্টা করবো এই এলাকার সমস্যা সমাধানের জন্য । এ সময় উক্ত ওয়ার্ডের লোকজন বিভিন্ন সমাস্যার কথা চেয়ারম্যান সাহেবকে জানান । তিনি সবাইকে আশ্বস্ত করে বলেন, এই পশ্চিম বারুইহাটি সকল সমস্যা শুনলাম । আমি আপনাদের দাবী পুরন করার যথাসাধ্য চেষ্টা করবো । তিনি আরও বলেন শেখ হাসিনার সরকার জনগন বান্ধব সরকার,উন্নয়নের সরকার,জবাব দিহিতার সরকার । আ,লীগ সরকার বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত করার জন্য আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় আমরাও তালা বাসি সরকারের সাথে এক্ত্রতা ঘোষনা করে উন্নয়নের ধারাকে বেগবান করার চেষ্টা করে যাচ্ছি ।

তালায় যুবলীগের পথ সভা ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

আকবর হোসেন,তালা: তালায় যুবলীগ নেতাকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে পথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রুবার সন্ধায় স্থানীয় জেঠুয়া বাজারে আ.ীগ যুবলীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নের্তৃবৃন্দকর্তৃক এ পথ অনুষ্ঠিত
হয়েছে। জালালপুরের মৃত অনাথ বন্ধুর ছেলে সঞ্জয় কুমার বলেন, তালা উপজেলায় জালালপুর ইউনিয়নে তালা প্রতিবন্ধি স্কুল নামে ২০১২ সালে প্রতিষ্টা হয় কিন্তু এর কার্যক্রম চলছে গত কয়েকমাস যাবত । গত ১৩ জানুয়ায়ী ২০১৭ উক্ত স্কুলে শিক্ষক নিয়েগে করার জন্য যুবলীগের সভাপতি সঞ্জয় এর নিকট প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রধান শিক্ষক ৪লক্ষ ৫০হাজার টাকা দাবি করে । এ ব্যাপারকে কেন্দ্র করে ৬নং যুবলীগের সভাপতিকে মৃত অনাথ বন্ধুর ছেলে সঞ্জয় কুমারকে গত ২৮ এপ্রিল জেঠূয়া বাজারে ইউপি চেয়ারম্যানের অস্থায়ী কায়ালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী কর্তৃক মারধোর করা হয় । উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১২ মে সন্ধায় জেঠূয়া বাজারে যুবলীগসহ আ,লীগের নেতৃবৃন্দ কতৃক পথসভা ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত হয়েছে । উক্ত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন,জালালপুর ইউনিয়নের আ,লীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম মুক্তি,যুবলীগের সভাপতি মিঠু,আ,লীগ নেতা ও যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মোড়ল আব্দুর রশিদ,ওয়াকাস পাটির নেতা মোফাজ্জেল হোসেন,অধ্যক্ষ রামপ্রদসাদ,অধ্যাপক আব্দুল গফ্ফারসহ ওর্য়াড নেতৃবৃন্দসহ অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন, এসময় বক্তরা বলেন,এর পর বিএনপির কোন ব্যক্তি আ,লীগের নেতা কর্মিকে অথবা কোন অনিয়ম করলে ছেড়ে দেয়া হবে না । উচিৎজবাব দেয়া হবে ।

Facebook Comments
Please follow and like us: