সুন্দরবনে সাতক্ষীরা রেঞ্জে অস্ত্র ও গুলি সহ ৪ বনদস্যু আটক:সাতক্ষীরা রেঞ্জে সুন্দরবনে সাড়ে ৭লাখ টাকার কারেন্ট জাল জব্দ

শ্যামনগর প্রতিনিধি:sundorbon-tiger

পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে নব্য বনদস্যু শফিকুল বাহিনীর ৪ সদস্যকে অস্ত্র ও গুলি সহ আটক করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটলিয়ন র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা। বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে সুন্দরবনের কলাগাছিয়া নদীর পশ্চিম পাড় থেকে তাদের আটক করা হয়। এ সময় বাহিনী প্রধান শফিকুল সানা পালিয়ে যায়। সে দাতিনাখালী গ্রামের মৃত মোহর সানার ছেলে। আটককৃত ৪ বনদস্যু হলো- বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের দাতিনাখালী গ্রামের মৃত লতিফ মোড়লের ছেলে আল-আমিন মোড়ল (৪৫) একই গ্রামের আনোয়ার গাজীর ছেলে আসাদুল ইসলাম (২৯) এবং ফজলু গাইনের ছেলে বাবল গাইন (২৫) ও মিলন গাইন (৩৫)। র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল জাহিদ জানান, সুন্দরবনে বনদস্যু বাহিনীর অবস্থান নিশ্চিত করে ডিএডি মনিরুজ্জামান ও এস আই হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ঘিরে ফেলে পাকড়াও করে। পরে তাদের কথামত সুন্দরবনের ভগিরচর এলাকায় মাটিতে পুতে রাখা দেশী তৈরী ২টি একনলা পাইপগান ও একটি দোনালা পাইপগান সহ ৬ রাউন্ড বন্দুকের তাজা কার্তুজ জব্দ করা হয়। আটককৃতদের শ্যামনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

শ্যামনগর থানার ওসি সৈয়দ মান্নান আলী সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় ডিএডি মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে অস্ত্র আইন মামলা দায়ের করেছেন। এদিকে শ্যামনগর থানায় আটক বনদস্যুদের সাথে কথা বলে জানাযায়, শফিকুলের নেতৃত্বে ৪মাস পূর্বে তারা সুন্দরবনে নতুন বাহিনী গঠন করে। এ সময় শতাধিক জেলেকে জিম্মি করে তাদের কাছ থেকে ৬-৭ লক্ষ টাকা মুক্তিপন আদায় করেছে বলে জানায়। আদায়কৃত টাকা বাহিনী প্রধান শফিকুলের নিকট জমা ছিল। মূলতঃ ওই টাকা ভাগাভাগি কে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

এদিকে সাতক্ষীরা রেঞ্জ পশ্চিম সুন্দরবনের গহিনে নদীতে জেলেরা ব্যবহার নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ ধরার সময় জব্দ করেছে আংটিহারা কোস্টগার্ড সদস্যরা। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঘড়িলাল নদী থেকে জাল জব্দ করে আগুনে বিনষ্ট করা হয়। তবে, এসময় কোন জেলেকে আটক করা যায়নি। আংটিহারা কোস্টগার্ড পেটি অফিসার জিবেশ কান্তি ঢালী সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সুন্দরবন নিরাপত্তা টহল দেওয়ার সময় ঘটনাস্থল থেকে সাড়ে ৭লাখ টাকা মূল্যের ৮হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।

Please follow and like us:
Facebook Comments