আশাশুনির পুইজালায় চলছে অশ্লীল নগ্ন নৃত্য

আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের পুইজালায় ওসির উপস্থিতিতেই চলছে অশ্লীল নগ্ন নৃত্য ও রমরমা জুয়ার আসর। ওসির অনুমতিতে প্রায় ১৫ দিন ধরে এধরণের অশ্লীল নগ্ন নৃত্য ও রমরমা জুয়ার আসর চললেও বন্ধ করার কোন উদ্যোগ নেয়নি কেউ।
এলাকাবাসি জানায়, উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের পুইজালায় অর্ধনগ্ন বিকৃত নৃত্য ও প্রকাশ্য জুয়ার বোর্ড বসেছে। একাধিক জুয়ার বোর্ডের মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে সাধারণ মানুষের লাখ লাখ টাকা। এস্টেজে দেখানো হচ্ছে অশ্লীলনৃত্য। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠানের ঝামেলা এড়াতে সারা রাতই সময় দিয়েছেন আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজেই।
তারা আরও জানায়, সম্প্রতি সাতক্ষীরার এ উপজেলায় বিভিন্ন উৎসবের আড়ালে জুয়া ও অশ্লীল নৃত্য চলছে। জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে ইতোমধ্যে একটি স্থানে বন্ধ করা হলেও পুইজালায় বন্ধ করার কোন উদ্যোগ নেই প্রশাসনের। আশাশুনির পুইজালায় চলছে অশ্লীল নগ্ন নৃত্য ও রমরমা জুয়ার আসর। এস্টজে কখনো একজন কখনো ২জন কখনো বা একাধিক তরুণীর অশ্লীল পোশাকে নগ্ন নৃত্য করছে। মাঝে মাঝে মাইকে ঘোষণা করা হচ্ছে কেউ ছবি তুলবেন না ভিডিও করেবন না, করলে মোবাইল কেড়ে নিয়ে প্রশাসনের কাছে দেওয়া হবে। এলাকাবাসি জানান রাত পোহালেই এসএসসি, জেএসি ও জেডিসি ও দাখিলসহ সমমানের পরীক্ষা। এ অবস্থায় গ্রামের মধ্যে নগ্ন নৃত্যের আসরে পড়ার টেবিল থেকে পালিয়ে নৃত্য দেখতে যাচ্ছে কোমলমতি এসব ছাত্ররা। মঞ্চের ধারে এসে নর্তকীরা খোলা বুক মেলে ধরছে আর সেখানে টাকা গুজে দিচ্ছে উঠতি বয়সি তরুণরা। কখনো মঞ্চে উঠে জড়াজড়ি করতে দেখা যায়। টাকার নোট বড় হলে নর্তকীদের চুমু খেতে দেখা যায়। এমন দৃশ্য কৌশলে মোবাইল ফোনে ধারণ করার সময় কর্তৃপক্ষ বাধা দেয়। নগ্ন নৃত্যের এমন খোলা মঞ্চ এলাকার সচেতন অভিভাবকদের চরম আশঙ্কার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। তারা গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে এ ধরণের নৃত্য অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানিয়ে বলেছেন, পাশর্^ এলাকায় আবারো এ ধরণের আরো একটি নগ্ন নৃত্যের খোলা মঞ্চ বসানোর জন্য প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। এতে উদ্বিগ্ন এলাকার অভিভাবকরা।
এবিষয়ে আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিদুল ইসলাম শাহীন বলেন, শেষ রাত যাতে কোন ঝামেলা না হয় সে জন্য একটু সময় দিচ্ছি আরকি।

Please follow and like us:
Facebook Comments