একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-খুলনার ৩৬ আসনে আ’লীগের প্রার্থী ৯২

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-খুলনার ৩৬ আসনে আ’লীগের প্রার্থী ৯২ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে খুলনা বিভাগের ৩৬ আসনের জন্য তৈরি করেছে ৯২ জনের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা তৈরি করেছেএ

এভিএএসডেস্করিপোট: ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে খুলনা বিভাগের ৩৬ আসনের জন্য তৈরি করেছে ৯২ জন সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা। আগামী নির্বাচন পর্যন্ত এসব প্রার্থীর কার্যক্রম মনিটরিং করা যাবে। জনসমর্থনে যার অবস্থান সবচেয়ে ভালো হবে তিনিই পাবেন একাদশ নির্বাচনের মনোনয়ন।

গত নির্বাচনে ৩৬টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে ২৯টি আসনে। বাকি সাতটিতে দলের স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪ জন, ওয়ার্কার্স পার্টির ২ ও জাসদের ১ জন জয়লাভ করেন। স্বতন্ত্ররাও এবার নৌকায় উঠেছেন। ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে প্রচার-প্রচারণাও। সম্ভাব্য এসব প্রার্থীদের নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের এ পর্বে থাকছে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৩৬টি সংসদীয় আসনের প্রার্থী তালিকা

 

 

খুলনা-১ (বটিয়াঘাটা ও দাকোপ উপজেলা): বর্তমান এমপি পঞ্চানন বিশ্বাস, সাবেক এমপি ননী গোপাল ম-ল, খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হারুনুর রশীদ, এবং দাকোপ উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আবুল হোসেন।
খুলনা-২ (সদর থানা ও সোনাডাঙ্গা) : বর্তমান এমপি মিজানুর রহমান মিজান।
খুলনা-৩ (খালিশপুর, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানা): সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য বেগম মন্নুজান সুফিয়ান।
খুলনা-৪ (রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া) : সাবেক হুইপ, বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম মোস্তফা রশিদী সুজা, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য মোল্লা জালাল উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল।
খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া ও ফুলতলা) : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণচন্দ্র চন্দ ও

অর্থনীতিবিদ ড. মাহবুব উল ইসলাম।
খুলনা-৬ (কয়রা ও পাইকগাছা) : সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল হক, সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সোহরাব আলী সানা ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তারুজ্জামান বাবু।
বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, মোল্লাহাট ও ফকিরহাট): প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা ও বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বর্তমান সাংসদ শেখ হেলাল উদ্দিন।
বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া): বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শওকত আলী বাদশা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান টুকু।
বাগেরহাট-৩ (রামপাল ও মংলা) : খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য তালুকদার আবদুল খালেক।
বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা) : জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য ডা. মোজাম্মেল হোসেন, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য আমিরুল ইসলাম মিলন।
যশোর-১ (শার্শা) : জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক ও বেনাপোল পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম লিটন এবং পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক আবদুল মাবুদ।
যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) : বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক অ্যাড. মনিরুল ইসলাম, সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা ড. আকতারুল কবীর, মেজর জেনারেল (অব.) ডা. নাসির উদ্দীন, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা আহসানুল হক, চৌগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা এসএম হাবিব।
যশোর-৩ (সদর) : জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বর্তমান সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার।
যশোর-৪ (অভয়নগর-বাঘারপাড়া) : বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য রণজিৎ কুমার রায়, সাবেক হুইপ শেখ আবদুল ওহাব, অভয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নওয়াপাড়ার সাবেক পৌর মেয়র এনামুল হক বাবুল, জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য নাজমুল ইসলাম কাজল।
যশোর-৫ (মনিরামপুর) : দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য পীযূষ কান্তি ভট্টাচার্য, তার ভাই বর্তমান সংসদ সদস্য স্বপন কুমার ভট্টাচার্য, সাবেক সংসদ সদস্য খান টিপু সুলতান, মনিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আমজাদ হোসেন লাভলু।
যশোর-৬ (কেশবপুর) : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক, কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আমির হোসেন।
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকূপা) : জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মৎস ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আবদুল হাই, শৈলকূপা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক নায়েব আলী জোয়ারদার, দলের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য কামরুজ্জামানের মেয়ে ও দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য কল্পনা আক্তার। এছাড়া বিশ্বাস বিল্ডার্সের মালিক দুলাল বিশ্বাস ও প্রিয়াঙ্কা গ্রুপের মালিক সাইদুর রহমান।
ঝিনাইদহ-২ (হরিনাকুন্ডু ও সদরের কিছু অংশ) : নূরে আলম সিদ্দিকীর ছেলে ও সদ্য আওয়ামী লীগে যোগদানকারী তাহজীবুল আলম সিদ্দিকী সমি এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাবেক এমপি শফিকুল ইসলাম অপু, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু।
ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর ও কোটচাঁদপুর) : নবী নেওয়াজ এমপি, সাবেক এমপি শফিকুল আজম খান চঞ্চল, থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাজ্জাতুজ জুম্মা চৌধুরী ও মায়া তালুকদার।
ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ ও সদরের বাকি অংশ) : আনোয়ারুল আজিম আনার এমপি, থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ আবদুল মান্নান, থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কালীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম খান।
মেহেরপুর-১ (সদর ও মুজিবনগর) : জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরহাদ হোসেন এমপি, সাবেক এমপি জয়নাল আবেদীন, সাবেক জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাড. মিয়াজান আলী, সাবেক এমপি প্রফেসর আবদুল মান্নান।
মেহেরপুর-২ (গাংনী) : মকবুল হোসেন এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল খালেক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহীদুজ্জামান খোকন।
মাগুরা-১ (শ্রীপুর ও সদরের কিছু অংশ) : জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মেজর (অব.) আবদুল ওয়াহাব এমপি, সংরক্ষিত আসনের এমপি কামরুল লায়লা জলি, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব অ্যাড. সাইফুজ্জামান শিখর, সাবেক জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ শরিফুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগে নেতা কুতুবুল্লাহ কুটি।
মাগুরা-২ (মহম্মদপুর ও সদরের বাকি অংশ): যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাড. বীরেন সিকদার এমপি, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব অ্যাড. সাইফুজ্জামান শিখরের বড় ভাই অ্যাড. শফিকুজ্জামান বাচ্চু, জেলা পিপি অ্যাড. কামাল হোসেন, মহম্মদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আবদুল মান্নান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বাসুদেব কুন্ডু।
সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) : সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, সাবেক এমএলএ শহীদ স ম আলাউদ্দিনের মেয়ে ও জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক লায়লা পারভীন সেজুতি, তালা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ নুরুল হক, তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ঘোষ সনৎ কুমার, সাবেক এমপি ও সাবেক কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বিএম নজরুল ইসলাম, কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপন,   ।
সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর) : জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এসএম শওকত হোসেন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম।
সাতক্ষীরা-৩ (দেবহাটা, আশাশুনি ও কালীগঞ্জের চারটি ইউনিয়ন) : সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও দলের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি, নর্দান ইউনিভার্সিটির ভিসি প্রফেসর ড. ইউসুফ আবদুল্লাহ, সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুনসুর আহমেদ, উপজেলা চেয়ারম্যান ও আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম।
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর ও কালীগঞ্জের আটটি ইউনিয়ন): শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এসএম জগলুল হায়দার এমপি, শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আতাউল হক দোলন, শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি শফিউল আযম লেলিন, কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদী।
নড়াইল-১ (কালিয়া ও সদরের কিছু অংশ) : বর্তমান সংসদ সদস্য কবীরুল হক মুক্তি এমপি, কালিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমদাদুল হক মোল্লা, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. সুবাস চন্দ্র বোস।
নড়াইল-২ (লোহাগড়া ও সদরের বাকি অংশ): জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজামুদ্দিন খান নিলু, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আশিকুর রহমান বাপ্পি, সাবেক জিপি অ্যাড সিদ্দিক আহমেদ, সাবেক সাংসদ ব্রিগে.(অব.) এস কে আবু বাকের, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. সুবাস চন্দ্র বোস, কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক রাশিদুল বাশার ডলার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান তাপস, কর্নেল (অব.) হাসান ইকবাল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আইয়ুব হোসেন।
কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) : দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফের বড় ভাই রশিদুল আলম, থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রেজাউল হক চৌধুরী এমপি, সাবেক এমপি আসাদ উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্পেশাল পিপি শরিফ উদ্দিন রিমন, জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব।
কুষ্টিয়া-২ (ভেড়ামারা ও মিরপুর): মিরপুর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান কামারুল আরেফিন।
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) : একক প্রার্র্থী দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ এমপি।
কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী ও খোকশা) : বর্তমান এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আবদুর রউফ, জেলা সভাপতি ও খোকসা উপজেলা চেয়ারম্যান সদর উদ্দিন খান, প্রয়াত সাবেক এমপি আবুল হোসেন তরুণের স্ত্রী ও সাবেক এমপি সুলতানা তরুণ, জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসন ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাহিদ হোসনে জাফর।
চুয়াডাঙ্গা-১ (আলমডাঙ্গা ও চুয়াডাঙ্গা সদরের কিছু অংশ) : জাতীয় সংসদের হুইপ ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এমপি, জেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য শামসুল আবেদীন খোকন, পৌর মেয়র ও যুবলীগ নেতা ওবায়দুর রহমান চৌধুরী জিপু, জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ও স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের প্রফেসর ডা. মাহবুব হোসেন মেহেদী।
চুয়াডাঙ্গা-২ (দামুড়হুদা, জীবননগর ও সদরের বাকি অংশ) : জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প-বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আলী আজগার টগর এমপি, জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক ও দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মনজু, দৈনিক আমার সংবাদের সম্পাদক ও প্রকাশক হাশেম রেজা, চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য নজরুল মলি্লক

Please follow and like us:
Facebook Comments