আগামী নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ- খালেদা জিয়ার কক্সবাজার সফরকে কেন্দ্র করে বিস্মিত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড

ক্রাইমবার্তা ডেস্করিপোর্ট: আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও মাঠের বিরোধী দল বিএনপি। উভয় দলই জোটের মিত্রদের নিয়ে আলোচনা করে ভোটের ছক সাজাচ্ছে। ভোটের আবহ তৈরি করতে নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামতে শুরু করেছে বড় দুই দল। আওয়ামী লীগ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে ভোট করে ফের ক্ষমতায় আসার জন্য আগামী নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে। তেমনি বিএনপিও তত্ত্বাবধায়ক বা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি আদায়ের মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জনে উজ্জীবিত। সব মিলিয়ে উভয় দলের টার্গেট এখন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সেই নির্বাচন হবে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ- তার আভাস পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করেন উভয় দলের নেতারা

চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছে আ’লীগ

শাসক দলের নেতাদের ঘুম ভেঙেছে। চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কক্সবাজার সফরকে কেন্দ্র করে বিএনপির শোডাউনে বিস্মিত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড। তারা বিষয়টিকে আসন্ন ছয় সিটি কর্পোরেশন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন। বিএনপির এ প্রস্তুতি ক্ষমতাসীনদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কাজেই দ্রুত এ ক্ষতিপূরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। দলটির নেতারা মনে করছেন, খালেদা জিয়ার সফরে চাঙ্গা হয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। কাজেই তাদেরও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও প্রচারণা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। সেটা খুব দ্রুতই তারা শুরু করতে চান। এ প্রস্তুতিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছে আওয়ামী লীগ। শাসক দলের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রচারণা জোরদারের অংশ হিসেবে বুধবার সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক আহ্বান করে সাংগঠনিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন আওয়ামী লীগ নেতারা। আজ আন্দোলন ও নির্বাচনের রাজনৈতিক মিত্র ১৪ দলের শরিকদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। আগামীতে নির্বাচনী প্রচারণার কাজে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সারা দেশ সফরের বিষয়টিকে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড। পাশাপাশি সদস্য সংগ্রহ অভিযানকে নির্বাচনী প্রচারণায় রূপান্তরের পাশাপাশি সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ফিরিস্তি জনগণের সামনে তুলে ধরতে নতুন কী কর্মসূচি নেয়া যায়- সে নিয়েও আলাপ-আলোচনা চলছে। ছয় সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট শহরে সাংগঠনিক দ্বন্দ্ব নিরসনের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

আগামী সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন পেতে আগ্রহী নেতাদের সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড লিফলেট আকারে প্রচারের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সেই নির্দেশ পেয়ে সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতারা এ প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন। ঈদের আগে এ প্রচারণা শুরু হয়। দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা লিফলেট নিয়ে ঘরে ঘরে মানুষের কাছে যাওয়ায় সে সময় একটা নির্বাচনী আবহ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি এ কাজে কিছুটা ভাটা পড়ে। বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশাল শোডাউনের পর আওয়ামী লীগ নেতারা প্রচারণার বিষয়ে নতুন করে মনোযোগ দিয়েছেন। এ মনোযোগের অংশ হিসেবে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের রাজশাহী সফরে গিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। সেখানে বুধবার এক অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের আগামী নির্বাচনে প্রস্তুতির বিষয়ে কথা বলেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের হুশিয়ার করে দিয়ে বলেন, কে দাঁড়াল এটা ব্যাপার নয়। নেত্রী যাকে মনোনয়ন দেবেন তার সঙ্গে কাজ করতে হবে। বিদ্রোহীদের জন্য আওয়ামী লীগের দরজা বন্ধ হয়ে যাবে। দল করলে আদর্শ মানতে হবে, দলের নিয়ম মানতে হবে, দলের প্রার্থীকে মানতে হবে। তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ নিয়ে স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণের জন্যও শিক্ষানগরী রাজশাহীর আওয়ামী লীগ নেতাদের নির্দেশ দেন তিনি। তিনি সেখানে নেতাদের বলেন, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেই জনগণের আগাম বার্তা পাওয়া যাবে। কাজেই এ নির্বাচনে ভালো ফলাফলের কোনো বিকল্প নেই।

এদিকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লড়াইয়ের জন্য আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনয়নের কাজ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। সরকারি একাধিক সংস্থা তৃণমূল পর্যায়ে তাদের জরিপ কার্যক্রম শেষ করে এনেছে। একই সঙ্গে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জরিপ চালানো হয়েছে। সেখানে উঠে এসেছে বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকার বাস্তব চিত্র। আওয়ামী লীগ না বিএনপির প্রার্থীর পাল্লা ভারি সে মূল্যায়ন রয়েছে জরিপ সংস্থাগুলোর রিপোর্টে। এ কাজটি সমন্বয় করছে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। কমিটি সূত্র জানিয়েছে, তারা সব নির্বাচনী এলাকার একাধিক প্রার্থীর জনপ্রিয়তা যাচাই করেছেন। এ সংক্রান্ত রিপোর্ট পুরোপুরি প্রস্তুত। তবে এ প্রক্রিয়াটা চলমান। কারণ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের অবস্থান বিভিন্ন ঘটনা ও অবস্থাভেদে পরিবর্তন হতে পারে।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ যুগান্তরকে বলেন, তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য যতটুকু প্রয়োজন সেই প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শোডাউনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া ত্রাণের নামে নাটক করেছেন। শোডাউনের নামে তার এ কর্মসূচি ছিল। প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েও খালেদা জিয়া শোডাউন করতে পারতেন। খালেদা জিয়ার এ শোডাউন নিয়ে তারা (আওয়ামী লীগ) চিন্তিত নয় বলেও জানান মাহবুবউল আলম হানিফ।

সূত্র জানিয়েছে, খালেদা জিয়ার গাড়ির বহরে হামলার ঘটনাটিও ক্ষতিয়ে দেখছে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড। তারা মনে করছে, যারাই এ হামলা চালিয়ে থাকুক না কেন, দায়ভার সরকারি দলের ওপর এসেই বর্তেছে। কাজেই ভবিষ্যতে এ বিষয়ে আরও সতর্ক থাকতে হবে। যাতে এমন পরিস্থিতির দায়ভার আওয়ামী লীগ বা সরকারের ওপর না পড়ে।

লক্ষ্য অর্জনে উজ্জীবিত বিএনপি

দীর্ঘদিন থেকেই হামলা, মামলা, গুম আতঙ্কের মধ্য দিয়ে আসা বিএনপি ক্রমশ জেগে উঠেছে। রাজপথে নামতে শুরু করেছেন দলটির সিনিয়র নেতা ও তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন ও ত্রাণ দিতে যাওয়ার পথে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর কেন্দ্র করে দলের নেতাকর্মী, সমর্থকরা রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। ফলে দলের চেয়ারপারসনের উপস্থিতিতে মানুষ জনসে াত দেখেছে বলে মনে করেন দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা। তারা বলেন, লক্ষ্য অর্জনে বিএনপি এখন উজ্জীবিত দল। বর্তমান পরিবেশে রাজপথে নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও বেশ খুশি।

বিএনপির একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, সম্প্রতি সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ থেকে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণসহ সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় দেয়া হয়। এরপর থেকেই মূলত বিএনপি নেতাকর্মীরা সব শঙ্কা দূরে ঠেলে ভেতরে ভেতরে সংগঠিত হওয়ার কাজে নামে। নেতাকর্মীদের ভাষ্য, এ অবস্থায় রাজপথে আন্দোলন জোরদার হলে তাদের দীর্ঘদিনের কেয়ারটেকার সরকারের দাবি আদায় সহজ হতে পারে।

এক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেছিলেন, বিএনপিকে দুর্বল ভাবা ঠিক হবে না। এ প্রসঙ্গে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল যুগান্তরকে বলেন, ওবায়দুল কাদের ছাত্র রাজনীতি করে আজ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন। তিনি জনগণের সঠিক পালস ভালো বুঝতে পারেন। এ কারণেই তিনি ওই বক্তব্য দিয়েছিলেন। তার সত্য ভাষণে খুশি বিএনপি নেতারা। তারা বলেন, বিএনপি কোনো দিনই দুর্বল ছিল না। এখনও নয়। রাজপথে নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি তার প্রমাণ দিয়েছে।

মাঠের বিরোধী দলের নেতারা বলেন, বিএনপি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে। এ দাবিসহ সুষ্ঠু ভোটের নিশ্চয়তা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যই কর্মী-সমর্থকরা রাজপথে নামছেন। এভাবে নামাকে আগামী দিনে বিএনপির নির্বাচনী প্রস্তুতির ওয়ার্মআপ হিসেবেও মনে করেন তারা। কেন্দ্রসহ তৃণমূলের নেতাকর্মী-সমর্থকরা প্রমাণ করতে চাইছেন এবার খালেদা জিয়া বা বিএনপিকে বাদ দিয়ে কোনো নির্বাচন করা যাবে না। এ অবস্থা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত দিতে সহায়তা করবে বলে তারা মনে করেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনে রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের দেখতে এবং তাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করতে কক্সবাজারে গিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। ঢাকা থেকে সড়কপথে যাওয়ার সময় পথে পথে লাখো মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এ জনতা ঢলের জন্য আলাদা করে কাজ করতে হয়নি। এ কর্মসূচিতে প্রমাণিত হয়েছে, এখনও দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা খালেদা জিয়া এবং জনপ্রিয় দল বিএনপি। বিএনপি বা খালেদা জিয়াকে বাদ দিয়ে দেশে আর কোনো নির্বাচনই জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। এ বার্তা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সব জায়গায় চলে গেছে।

আগামী আন্দোলন ও নির্বাচন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা বরাবরই বলে আসছি, কেয়ারটেকার সরকার অথবা নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য ভোট হবে না। এ দাবির পক্ষে যে জনসমর্থন আছে তার বহির্প্রকাশ ঘটেছে এ কর্মসূচিতে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছার মধ্য দিয়ে। আগামী নির্বাচন নিরপেক্ষ সরকার ও নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশা করেন। তিনি বলেন, জনগণের বিশাল এ সমর্থনের পর আমাদের দাবি মেনে নেয়া সরকারের দায়িত্ব।

বিএনপির একাধিক নেতা বলেন, চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে অবস্থানের সময় দেশের হাওর ও উত্তরাঞ্চলে ব্যাপক বন্যা হয়েছে। এসব অঞ্চলের মানুষ এখনও নানা সমস্যায় জর্জরিত। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারপারসনের বরিশাল বিভাগে কোনো সফর নেই। এসব অঞ্চলের নেতাকর্মী-সমর্থকদের পাশে গিয়ে তিনি দাঁড়াবেন। সড়কপথে বিভিন্ন জেলা বা বিভাগ সফরের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের আরও উজ্জীবিত করার বিষয়ে দলের পরিকল্পনা আছে, যা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাজে দেবে।

বিএনপি পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার প্রধান সমন্বয়ক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাজাহান যুগান্তরকে বলেন, চেয়ারপারসনের এ সফরকে কেন্দ্র করে যে জনতার ঢল নেমেছে, এতে আওয়ামী লীগ নানা সময়ে যে নেতিবাচক বক্তব্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করত, এখন সেটা বন্ধ হবে। তিনি বলেন, ফেনীতে গাড়িবহরে হামলার পরও সরকারের উদ্দেশে চেয়ারপারসন বলেছেন, এসব হামলা বন্ধ করে সমঝোতার পথে আসুন। কতটা সহনশীল হলে খালেদা জিয়া এ কথা বলতে পারেন। তার এ চিন্তাই আগামী দিনে আন্দোলন ও নির্বাচনে সফলতা বয়ে আনবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

চট্টগ্রামের তরুণ নেতা বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলালউদ্দিন  বলেন, চেয়ারপারসনের এ আগমন নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। কর্মসূচি সফল করাই ছিল সবার মূল টার্গেট। আমরা লাখো মানুষের উপস্থিতিতে সফলভাবে কর্মসূচি শেষ করতে পেরেছি। ফলে চট্টগ্রামের নেতাকর্মীরা এখন উজ্জীবিত, যা আগামী দিনের আন্দোলন ও নির্বাচনে সফলতা এনে দেবে বলে বিশ্বাস করি। চট্টগ্রামে অবস্থানকালে সার্কিট হাউসে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা। চট্টগ্রামে জনতার ঢল দেখে তাদের কাছে চেয়ারপারসন সন্তুষ্টি ব্যক্ত করেছেন বলে তারা জানান।যুগান্তর

Please follow and like us:
Facebook Comments