আমি কীভাবে চলব শাকিব তো আমাকে বলেনি

ক্রাইমবার্তা ডেস্করিপোর্ট:    ঢালিউড কুইনখ্যাত নায়িকা অপু বিশ্বাস। শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করতে গিয়ে ২০০৮ সালে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। প্রায় ৮ বছর গোপন রেখেই সংসার করেছেন এ জুটি। কিন্তু বিয়ের খবর প্রকাশ হওয়ার পর এক বছরও স্থায়িত্ব পেল না তাদের সংসার। সম্প্রতি শাকিব খানের পক্ষ থেকে ডিভোর্সের নোটিশ পাঠানো হয়েছে অপু বিশ্বাসের কাছে। বিষয়টি নিয়ে কী ভাবছেন অপু। এ প্রসঙ্গ নিয়েই আজকের ‘হ্যালো…’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি
* শাকিব খানের কাছের একজন বলেছেন তিন দিন আগে শাকিব খান আপনাকে ডিভোর্সের নোটিশ দিয়েছেন। নোটিশ আপনার হাতে পৌঁছায়নি?
** গত ৩ ডিসেম্বর গণমাধ্যমকর্মী ভাইদের কাছ থেকে আমি বিষয়টি শুনেছি। কবে ডিভোর্সের নোটিশ দিয়েছে সেটি তো আর আমি বলতে পারব না। কাগজ এখনও হাতে পাইনি।
* নোটিশ হাতে পাওয়ার পর কী সিদ্ধান্ত নেবেন?
** শাকিব যদি এমনটি করে থাকে তাহলে তো আমার কিছুই করার নেই। ওর এমন সিদ্ধান্তে আমাদের দু’জনের ইমেজই নষ্ট হবে। বিশেষ করে আমার ছেলে আব্রামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। জীবনের শুরুতেই ও এমন একটা নেতিবাচক পরিস্থিতির মুখে পড়বে। কোনো মা-ই এমনটি আশা করে না। বিষয়টি নিয়ে আমার পরিবারের সঙ্গে আলাপ করব। এরপরই সিদ্ধান্ত নেব।

* আইনজীবী জানিয়েছেন নোটিশে আপনার সাত লাখ টাকা দেনমোহর পরিশোধ ও সন্তানের দায়িত্ব শাকিব নেবে লেখা আছে। শাকিবের এমন সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে কী বলবেন আপনি?

বিষয়টি নিয়ে তো আমি এখনই কিছু বলতে পারব না। যেহেতু সে আইনিভাবে এগিয়েছে আমাকেও তাহলে আইনি প্রক্রিয়াতেই এগোতে হবে। আর শাকিব যেহেতু আব্রামের বাবা সেহেতু সন্তানের দায়িত্ব বাবা নিতেই পারে। কিন্তু আব্রাম এখনও ছোট। মা ছাড়া কাউকেই তেমনভাবে চেনে না। আমি চাইব অবশ্যই তাকে আমার কাছে রাখার।  আব্রাম আমার জীবন। ওকে নিয়েই বাকি জীবনটা কাটিয়ে দিতে চাই।
* নোটিশে ডিভোর্সের দুটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। এর বিপরীতে আপনার কোনো কথা আছে?
** যে দুটি কারণ উল্লেখ করে শাকিব আমাকে ডিভোর্স নোটিশ পাঠিয়েছে বলে শুনেছি, সেটি আমার কাছে বেশ কষ্টের। আমি কলকাতা গিয়েছি চিকিৎসার জন্য। অন্য কোনো কারণে নয়। এটা আগেও বলেছি। আর একটা কারণ হচ্ছে, আমি শাকিব খানের অবাধ্য হয়ে চলাফেরা করি। প্রশ্ন হচ্ছে, বিয়ের কথা প্রকাশ হওয়ার পর সে কি আমার একবারও খোঁজ নিয়েছে? আর আমি অবাধ্য হলাম কখন? আমি সিনেমায় কামব্যাক করার জন্য কয়েকজনের সঙ্গে মিটিং করেছি। সে তো একবারও বলেনি তাদের সঙ্গে চলা যাবে না। আমি কীভাবে চলব একবারও তো আমাকে সে বলেনি। তাহলে এখন অবাধ্য হয়ে চলেছি এ প্রশ্ন আসছে কেন?
* ডিভোর্সের চিঠি এলে কি সেটা রিসিভ করবেন?
** যদি আমার কাছে আসে তাহলে তো রিসিভ করতেই হবে। তবে এখনও আমি পাইনি। যদি হাতে পাই তাহলে কী করব না করব সেটা নিয়ে পরে চিন্তা-ভাবনা করব। এখন এ নিয়ে আর কিছুই বলতে চাই না।০৬ ডিসেম্বর ২০১৭,বুধবার:ক্রাইমর্বাতাডটকম/jugantor/আসাবি

Please follow and like us:
Facebook Comments