জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ রাজাপুরে বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন

মো.অহিদ সাইফুল, সারাদেশের ন্যায় ঝালকাঠির রাজাপুরে বেগম রোকেয়া দিবস ও আর্ন্তজাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ২০১৭ উদ্যাপিত হয়েছে। ৯ই ডিসেম্বর শনিবার সকাল ১০.৩০ মিনিটে উপজেলা প্রসাশন ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার আয়োজনে দিবসটি উদ্যাপিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে“জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ”শীর্ষক কর্মসুচির আওতায় রাজাপুরে দুটি ক্যাটাগরিতে জয়িতাদের সম্মান ও স্বীকৃতি স্বরূপ সম্বর্ধনা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়। এ বছর দুজননারী উপজেলা জয়িতা হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলেন,শিক্ষা ও চাকুরী ক্যাটাগরিতে রাজাপুর মহিলা পরিষদের সভাপতি কবি মাহমুদা খানম ও “সফল জননী নারী”ক্যাটাগরিতে মোসা. রানী বেগম।

উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা বেগম পারুলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যানঅধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান।
বিশেষঅতিথি ছিলেনরাজাপুরডিগ্রীকলেজেরসাবেকঅধ্যাপক মো:আবুল হোসেনফরাজী,উপজেলাত্রুীড়াসংস্থার সাধারণ সম্পাদক সাবেক অধ্যক্ষ শাহজাহান মোল্লা।
দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তিতা রাখেন , অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা বেগম পারুল, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা উম্মে আয়শা সিদ্দিকা ,সাবেক অধ্যাপক মো:আবুল হোসেন ফরাজী, সাবেক অধ্যক্ষ শাহজাহান মোল্লা, জয়িতা কবি মাহমুদা খানম ,জয়িতারানী বেগম,সংবাদ কর্মী আলমগীর শরীফ প্রমুখ।
বক্তারা বেগম রোকেয়া দিবস স্বরনে তার আতœজীবনী নিয়ে আলোচনা করেন। বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে জন্ম নেন। সেসময় সমাজ ছিল নানাবিধ কুসংস্কার পূর্ণ। রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করে তিনি নারী জাগরণের অগ্রদূতের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। ঊনবিংশ শতাব্দীর এই খ্যাতিমান বাঙালি সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুরণ করেন। বেগম রোকেয়ার উল্লেখ যোগ্য রচনাগুলো হলো পিপাসা (১৯০২), মতিচূর (১৯০৪), সুলতানার স্বপ্ন (১৯০৮), সওগাত (১৯১৮), পদ্মরাগ (১৯২৪) ও অবরোধবাসিনী (১৯৩১)।
অনুষ্ঠান সঞ্চালণায় ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা উম্মে আয়শা সিদ্দিকা।
আলোচনা সভা শেষে জয়িতাদের হাতে শ্রেষ্ঠ জয়িতার ক্রেষ্ট তুলে দেয়া হয়।

০৯ ডিসেম্বর ২০১৭,শনিবার:ক্রাইমর্বাতাডটকম/প্রতিনিধি/আসাবি

Please follow and like us:
Facebook Comments