গাজীপুরে আবাসি হোটেল কর্মচারীদের হামলায় আহত-৭। ৪৪ নারী-পুরুষ আটক

মোঃ রেজাউল বারী বাবুল ;গাজীপুর সংবাদদাতাঃ গাজীপুরে ইবটিজিং এর ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার রাতে এক আবাসিক হোটেলের কর্মচারী ও তাদের লোকজনের হামলায় ৭ জন আহত হয়েছে।পরে পুলিশ ওই হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৮ নারী ও ২৬ পুরুষকে আটক করেছে। হামলায় গুরুতর আহতরা হল গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নলজানি এলাকার মোঃ নোমান (১৮), মোঃ ফজলুল হক ফজল (৩২),মোঃ রানা (২৫),মোঃ মামুন (২৪),মোঃ রেজোয়ান (২৮),পাশ্ববর্তী তেলিপাড়া এলাকার মোঃ নাহিদ (১৭) ও হোটের কর্মচারী সুজন (৩০)। এদের মধ্যে গুরুতর আহত ফজল ও নোমানকে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসি জানায়,গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নলজানি এলাকায় শাপলা আবাসিক হোটেলের সামনে দিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা রাতে স্থানীয় বসির সড়ক এলাকার গেির্মন্টস কর্মী স্বপ্না হেটে যাচ্ছিল।এসময় শাপলা হোটেলের কর্মচারীরা স্বপ্নাকে ইবটিজিং করে।ওই ঘটনায় নলজানি এলাকার ফরহাদ সরকারের ছেলে লালন সরকার ইবটিজিং এর প্রতিবাদ করে।এসময় হোটেল কর্মচারীরা কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে লালনকে কিলঘুসি দিয়ে বিদাই করে দেয়। পরে এলাকার যুবকরা এগিয়ে এসে ঘটনা জানতে চাইলে হোটেল কর্মচারী ও তাদের লোকজন লাঠিসোঠা,হাতুড়ি ও চাপাতি নিয়ে এলাকার যুবকদের উপর আক্রমন করে ওই ৭ জনকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরে এলাকাবাসি আহতদের উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেলকলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। আহত ২জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। অন্য আহতরা শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেলকলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পরে শাপলা আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৮ নারী ও ২৬ পুরুষকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এলাকাবাসি আরো জানায় গাজীপুরে শাপলা আবাসিক হোটেলসহ বিভিন্ন হোটেলে প্রতিনিয়ত অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে একটি মহল। গাজীপুর জেলা প্রশান ও পুলিশ বিভিন্ন সময়ে হোটেল গুলোতে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে শত শত নারী পুরুষ,হোটেল ম্যানেজার ও কর্মচারীদের গ্রেফতার করলেও পরক্ষণেই তারা আবার অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে।
###

২০ডিসেম্বর২০১৭,বুধবার:ক্রাইমর্বাতাডটকম/প্রতিনিধি/আসাবি

Please follow and like us:
Facebook Comments