গণতন্ত্র রক্ষা এরশাদের ছাড়া বিকল্প নেই: খন্দকার মোশারর

ক্রাইমবার্তা রিপোর্ট:মাদারীপুর: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী (এলজিআরডি) ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে এরশাদ অংশ না নিলে বাংলাদেশের রাজনীতি চলে যেত তৃতীয় শক্তির হাতে। তখন গণতন্ত্র ৫০ বছরের জন্য হারিয়ে যেত। এ নির্বাচনে এরশাদ ও জাতীয় পার্টি যে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছে ইতিহাস একদিন তার মূল্যায়ন করবে।

শনিবার দুপুরে মাদারীপুরের শিবচর পৌরসভায় বঙ্গবন্ধুর বড় বোন চৌধুরী ফাতেমা বেগম পৌর অডিটোরিয়াম ও প্রবাহমান ৭১ ভাস্কর্য উদ্বোধন শেষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া পদ্মা সেতু নিয়ে যাই বলুক না কেনো নির্ধারিত সময়ের আগেই পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে। পদ্মাসেতু পরিকল্পনার চেয়ে কাজ এগিয়ে আছে। ইতোমধ্যে ৫০ ভাগ কাজও সম্পন্ন হয়েছে।

শিবচর পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগ সংসদীয় দলের সাধারণ সম্পাদক ও অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি নূর ই আলম চৌধুরী, জাতীয় পার্টিও প্রেসেডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের প্রধান প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

আগামী নির্বাচন নিয়ে সংলাপের কোন প্রয়োজন নেই: কাদের
‘নির্বাচনের ব্যাপারে সংলাপের কোনো প্রয়োজন আমরা দেখছি না। সেরকম যদি কোনো সংকট সামনের দিনগুলোতে দেখা যায়, তাহলে পরিস্থিতি বলে দেবে তখন কী করতে হবে’ বলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ‘জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে’ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

‘নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন হবে। দুনিয়ার অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো এখানেও হবে। তখন সরকার একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, ইনক্লুসিভ নির্বাচনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে-এটাই নিয়ম, এটাই সংবিধান। এখন আমরা সংলাপের প্রয়োজনীয়তা দেখছি না।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচন হবে নিয়ম অনুযায়ী। কুমিল্লায় হয়েছে, রংপুরে হয়েছে সামনে ঢাকা উত্তর সিটিতেও হবে। তারা আসবেন। আরেকবার সাধিলে খাইবো, এটা কি সমঝোতা? এটা তাদের অধিকার, এটা তাদের সুযোগ নয়।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধান যে পথ রেখা দেখিয়েছে, সেই পথ বাদ দিয়ে আবার সংলাপ করতে হবে কেন? সংবিধানেই তো আছে কিভাবে নির্বাচন হবে! এটা (নির্বাচন) বিএনপির এজেন্ডা। নির্বাচনে অংশগ্রহণ বিএনপির অধিকার, সুযোগ নয়। সরকার কী দয়া-দাক্ষিণ্য নিয়ে বসে আছে? দয়া করবে? তাদের আরো একবার সাধতে হবে কেন?

তিনি বলেন, নির্বাচন বিএনপির সুযোগ নয়, গণতান্ত্রিক অধিকার। তারা নির্বাচনে আসবে, সরকারের দয়ায় নয়। এটা তাদের বুঝতে হবে। এরপরও নির্বাচন করতে যদি কোনো অসুবিধা থাকতো, যদি একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন না থাকতো…! আমাদের তো সবকিছুই ঠিক আছে। কাজেই এখানে বসা-বসির (সংলাপ) কী প্রয়োজন? কোনো জটিলতা আছে বলে তো কেউ মনে করে না!

ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকারের চারবছর পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীর উদ্দেশ্যে যে ভাষণ দিয়েছেন তাতে সাধারণ মানুষ খুশি হয়েছেন। কিন্তু বিএনপি হতাশ হয়েছে।

‘সংলাপের দরজা চিরদিনের জন্য বন্ধ করতে চাই না, আমরা একটা রাজনৈতিক দল। প্রয়োজনে সংলাপ হতে পারে, তবে আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংলাপের প্রয়োজনীয়তা দেখছি না’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, ত্রাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, এসএম কামাল, আনোয়ার হোসেন ও উপ দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিল্পব বড়ুয়া প্রমুখ।১৩জানুয়ারী,২০১৮শনিবার::ক্রাইমর্বাতা.কম/প্রতিনিধি/আসাবি

Please follow and like us:
Facebook Comments