শ্যামনগরের দূর্গাবাটী সাইক্লোন সেল্টার মরণ ফাঁদ

মোস্তফা কামাল,শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) ; শ্যামনগরের পশ্চিম দূর্গাবাটী দ্বিতল ভবন সাইক্লোন সেল্টার এখন চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। যে কোন মুহূর্তে ব্যাপক জান মালের ক্ষতির সম্মুখীন। দেখার কি কেউ নেই-এমন প্রশ্ন এলাকাবাসীর। স্থানীয়রা জানান, পশ্চিম দূর্গাবাটী হরি মন্দির প্রাঙ্গনে ১৯৯৫ সালে ফ্যাসালিটিস ডিপার্টমেন্টে সাইক্লোন সেল্টারটি নির্মাণ করেন।সেখানে দূর্গাপুজাসহ বিভিন্ন পুজা উপলক্ষ্যে মেলা বসলে বহু লোকের সমাগম হয়।বর্তমানে সাইক্লোন সেল্টারটি চরম ভগ্নাদশা। সাইক্লোন সেল্টারটি পরিত্যক্ত ঘোষনা করা হলেও ঝুঁকির মধ্যে প্রত্যহ গ্রামের বিভিন্ন বয়সের ছেলে মেয়েরা সেখানে খেলাধুলা করে এবং সাধারণ মানুষেরা অবসর সময় কাটাতে গল্পের আসর বসান। হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত হরি মন্দিরে মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম চলায় গ্রামের মহিলারা শিশুদের সেখানে দিয়ে সাইক্লোণ সেল্টারে অবসর সময় কাটান এবং খোলপেটুয়া নদীর অপরুপ সৌন্দর্য অবলোকন করেন।সাইক্লোন সেল্টারটি যথাযথ প্রক্রিয়ায় দ্রুত ভাঙ্গার দাবী উঠেছে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে। গত কয়েক বছর পুর্বে ৩৮নং দূর্গাবাটী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন নদী গর্ভে চলে যায়। সেখান থেকে নিয়মিত বিদ্যালয়টির ক্লাশ দূর্গাবাটী সাইক্লোন সেল্টারে নেওয়া হত। ঝুকিঁর মধ্যে ছাত্র ছাত্রী ও শিক্ষকরা দারুন হতাশায় শ্রেণী কক্ষে আগমন প্রস্থান করতেন। বিষয়টি সরকারের উর্দ্বোতন কর্তৃপক্ষ অবগত হয়ে কয়েক শত মিটার দূরে বিদ্যালয়টি কার্যক্রম পরিচালনায় নতুন ভবন স্থাপিত করে বর্তমানে নিরাপদে কার্যক্রম চলছে। ফলে সাইক্লোন সেল্টারটি পরিত্যক্ত ঘোষনা করা হয়।স্থানীয় বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যান ভবতোষ কুমার মন্ডল জানান, সাইক্লোন সেল্টারটি চরম ঝুকিঁর মধ্যে থাকায় পরিত্যক্ত রয়েছে। স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য নীলকান্ত রপ্তান বলেন,জীবনের ঝুকিঁ এড়াতে দ্রুত সাইক্লোন সেল্টারটি যথাযথ প্রক্রিয়ায় ভাঙ্গার বিশেষ প্রয়োজন। এব্যাপারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।

Facebook Comments
Please follow and like us: