একুশে পদক প্রদান ভাষা-সংস্কৃতির স্বকীয়তা বজায় রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ক্রাইমবার্তা রিপোট: নিজ ভাষা ও সংস্কৃতির স্বকীয়তা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, নিজেদের গৌরবগাথা নিজেদেরই সংরক্ষণ ও প্রচার করতে হবে।

মঙ্গলবার সকালে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের বিভিন্ন ঐতিহ্য রয়েছে সেগুলো তুলে ধরতে হবে। আমাদের জামদানি রয়েছে, সেটির অধিকার কেড়ে নেয়ার চেষ্টা হয়েছে। আমরা সে অধিকার ফিরে পেয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের মঙ্গলশোভাযাত্রাকে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের স্বীকৃতি পেয়েছি। নকশীকাঁথা ও সিলেটের শীতল পাটির স্বীকৃতি মিলেছে।

এগুলো আমাদের অর্জন। এসব ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রচার করতে হবে।

স্বাধীনতার অর্জন যেন কোনোভাবেই নস্যাৎ না হয় সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা এখনও সক্রিয় বলেই দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ওপর বারবার আঘাত আসছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।।

এর আগে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২১ গুণীকে একুশে পদক প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

চলতি বছরের একুশে পদকপ্রাপ্তরা হলেন- ভাষা আন্দোলনে আ জ ম তকীয়ূল্লাহ (মরণোত্তর) ও অধ্যাপক মির্জা মাজহারুল ইসলাম। সংগীতে শেখ সাদী খান, সুজেয় শ্যাম, ইন্দ্রমোহন রাজবংশী, খুরশীদ আলম ও মতিউল হক খান। নৃত্যে মীনু হক (মীনু বিল্লাহ)। অভিনয়ে হুমায়ুন ফরীদি (মরণোত্তর), নাটকে নিভিল সেন, চারুকলায় কালীদাস কর্মকার, আলোকচিত্রে গোলাম মুস্তাফা, সাংবাদিকতায় রণেশ মৈত্র, গবেষণায় ভাষাসৈনিক অধ্যাপক জুলেখা হক (মরণোত্তর), অর্থনীতিতে ড. মইনুল ইসলাম, সমাজসেবায় ইলিয়াস কাঞ্চন। ভাষা ও সাহিত্যে সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম খান (কবি হায়াৎ সাইফ), সুব্রত বড়ুয়া, রবিউল হুসাইন ও খালেকদাদ চৌধুরী (মরণোত্তর)।

Please follow and like us:
Facebook Comments