নাটোরেসন্ত্রাস দমনআইনেরমামলায় দুই জেএমবি সদস্যের ২০ বছরসশ্রমকারাদন্ড

নাটোরসংবাদদাতা
সন্ত্রাসিকর্মকান্ডেজড়িত থাকারঅপরাধে দুই জেএমবিসদস্যকে ২০ বছরকরেসশ্রমকারাদন্ড ও ১০ হাজারটাকাকরে অর্থদন্ডাদেশ দিয়েছেননাটোরের জেলা ও দায়রা জজ মো.রেজাউলকরিম। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে এই দন্ডাদেশ দেওয়া হয়। জেলা জজ আদালত সূত্রে জানাযায়,দন্ডাদেশ প্রাপ্তরা হচ্ছেনময়মনসিংহ জেলারফুলবাড়িয়াউপজেলাররাধাকানাইগ্রামেরইউনুছআলীর ছেলে মো.রাসেলওরফেতামীম (২৬) ও নওগাঁ জেলারআত্রাইউপজেলার চক বিষ্টপুরগ্রামেরআব্দুসসাত্তারের ছেলে মোফাজ্জল হোসেন (৩৪)। মামলাটিরবাদি ছিলেন র‌্যাব-৫ এরবাগমারাক্যাম্পের উপ সহকারিপরিচালক মো.মহিদুলইসলাম। তাঁর দায়েরকরাএজাহার সূত্রে জানা যায়,২০১৫ সালের ১৪ জুলাই দুপুরেবাদী ও সঙ্গীয় ফোর্সরানাটোরশহরেরবনবেলঘরিয়াবাজার থেকে আসামিরাসেল ও মোফাজ্জলকে আটককরেন। তারাসন্ত্রাসীকর্মকান্ডেরমাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশিলকরারতৎপরতায়লিপ্তছিলেন। আটককরারসময়তাদের হেফাজত থেকে একটিজাপানিপিস্তল, দুইটিম্যাগজিন ও ছয়টিপিস্তলের গুলিসহকিছু জেহাদি বইউদ্ধারকরা হয়। এ ঘটনায়আসামিদেরবিরুদ্ধে নাটোরসদর থানায়সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ এ মামলাকরা হয়। থানার উপ পরিদর্শকপ্রশান্তকুমারপরামানিকতদন্ত শেষেআসামিদেরবিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ১০ মার্চ অভিযোগপত্র দাখিলকরেন। বিচারচলাকালেআদালতআটজনসাক্ষিরসাক্ষ্য গ্রহণকরেন। সাক্ষ্য প্রমাণেআসামিদেরবিরুদ্ধে অভিযোগপ্রমাণিতহওয়ায় মঙ্গলবার আদালতসন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ (সংশোধনী-১২/১৩) এর ৬ ধারায়প্রত্যেকআসামীকে ১০ বছরকরে ও ৭ ধারায় ১০ বছরকরেসশ্রম কারাদন্ডাদেশ দেন। একই সঙ্গে ১০ হাজারটাকাকরে অর্থদন্ড করা হয়। অর্থদন্ড পরিশোধেব্যার্থ হলেআসামিদেরআরও এক বছরকরেকারাদন্ড ভোগকরতেহবে। দন্ড একটির পর একটিকার্যকরহবে। দন্ডাদেশ ঘোষণারসময়আসামীদেরকারাগার থেকে আদালতেহাজিরকরা হয়। পরেতাদেরকেআবারওকারাগারেপাঠিয়ে দেওয়া হয়। আদালতেরসরকারি কৌঁসুলিসিরাজুলইসলাম দন্ডাদেশেরবিষয়টিনিশ্চিতকরেবলেন,আসামিরা দেশেরশত্রু। তাইতাদের দন্ডাদেশ যথার্থ হয়েছে। তবেআসামিপক্ষেরআইনজীবীআজিমউদ্দিনের দাবি দন্ডাদেশ ন্যায়সংগতহয়নি। তাইতাঁরা দন্ডাদেশেরবিরুদ্ধে উচ্চ আদালতেআপীলকরবেন।

Please follow and like us:
Facebook Comments