অভয়নগরে সড়কের বেহাল দশা

বিশেষ প্রতিনিধি (অভয়নগর) :ভৈরব উত্তর জনপদের সবচেয়ে জনবহুল সড়ক শংকরপাশা-আমতলা ও শংকরপাশা-সিঙ্গিয়া সড়ক। দুটি সড়কই শংকরপাশা থেকে সিংগাড়ী বাজার হয়ে চাকই থেকে দু’দিকে চলে গেছে। অন্য দিকে নড়াইলের সাথে অভয়নগর তথা নওয়াপাড়ার সাথে যোগাযোগের বলা যায় একমাত্র প্রধান সড়কটিও সিংগাড়ী ভায়া হয়ে শংকরপাশা-রূপগঞ্জের মাঝে বাসসহ যোগাযোগে ভারি যানবাহন চলাচল করে থাকে। ব্যস্ততম এ সড়কটির শংকরপাশা-সিংগাড়ী অংশটুকু দিনরাত ২৪ঘন্টাই ব্যস্ত থাকে। এ সড়কে বাস, ট্রাক, নসিমন-করিমন, ব্যাটারি চালিত ভ্যান, রিক্সা, মটরসাইকেল-বাইসাইকেলসহ নানাবিধ যানবাহন চলাচল করে। অধি:কিন্তু সড়কটি যানবাহন ও যাত্রী চাপের তুলনায় অত্যধিক সরু হওয়াতে প্রায়ই ঘটছে দূর্ঘটনা। গত দু’মাসে শংকরপাশা-সিংগাড়ী সড়কাংশে দূর্ঘটনায় মারা গেছেন ২জন যাত্রী। এছাড়ও আহত হয়েছেন দেড় ডজনেরও বেশি মানুষ। নিহতের ঘটনা ঘটেছে শংকরপাশার তাজ ব্রিকস্ ও তাজ স’মিলের সামনে। পথচারী ও চালকসূত্রে জানা যায়, শংকরপাশা-সিংগাড়ী সড়কটির প্রথমাংশের প্রায় দেড় কি.মি. রাস্তা ভেঙ্গেচুরে নাকাল হয়ে গেছে। এ অংশে প্রায়ই দূর্ঘটনা ঘটছে। তারা আরও জানান, যাত্রী ও যানবাহনের তুলনায় সড়কটি একেবারেই সংকীর্ণ ও সরু। তাই বেশিরভাগ দূর্ঘটনা ঘটছে সড়কের সরুতার কারণে। দূর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে সড়কের যাত্রীরা জানান, ভৈরব পশ্চিম পাড়ের আকিজ জুট মিলস্, আইয়ান, সুপারসহ কয়েকটি চামড়ার মিল রয়েছে। এসব মিলের রয়েছে একধিক শ্রমিকবাহী বাস। যা ভৈরব উত্তর জনপদের বিভিন্ন সড়ক দিয়ে শ্রমিক আনায়নের কাজ করে থাকে। এ সকল শ্রমিকবাহী গাড়ীও উক্ত সড়ক দূর্ঘটনার অন্যতম কারণ। সরেজমিনে দেখা যায়, সিংগাড়ী বাজার পার হওয়ার পর থেকে নিমতলা, পাঁচুড়িয়া, তাজ স’মিল, বুনারামনগর, মিস্ত্রিপাড়ার রাস্তার করুণ অবস্থা। এখানের ৫ মিনিটের পথ পার হতে লেগে যায় ২০-২৫ মিনিট। তাই এলাকাবাসীর দাবি ভৈরব সেতু চালুর পূর্বেই দিয়াপাড়া-শংকরপাশা ও শংকরপাশা-সিংগাড়ী সড়কটি প্রশস্তকরণ ও সংস্কার করা একান্ত জরুরী।

Please follow and like us:
Facebook Comments