এপ্রিল ৮, ২০১৯
যশোরে ৬৫টি বহুতল ভবনের অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা খুবই দুর্বল শেখ হাসিনা আইটি পার্কের অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা অচল, বহুতল ভবনের অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা নাই ফায়ার সার্ভিসের

তরিকুল ইসলাম তারেক, যশোর: যশোরের বহুতল ভবনগুলোতে নিজস্ব অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা খুবই দুর্বল।
ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ অগ্নিনিরাপত্তার তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে পেয়েছেন নানা অসঙ্গতি।
এসব ভবনে অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা থাকলেও কোথাও তা একেবারেই অচল, আবার কোনো কোনোটিতে স্থানে মানা হয়নি অগ্নিকান্ড প্রতিরোধ পরিকল্পনা। এই অবস্থায় ভবন মালিকদের দ্রুত অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা সচলের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে, বড় ধরনের দুর্ঘটনায় উদ্ধার কাজে অংশ নেওয়ার মতো সক্ষমতা ফায়ার সার্ভিসের না থাকার বিষয়টিও উঠে এসেছে।
রাজধানীর বনানী এলাকায় এফআর টাওয়ারে অগ্নিকান্ডের পর যশোরে মাসব্যাপী অভিযান শুরু করেছে যশোর ফায়ার সার্ভিস।
সম্প্রতি ফায়ার সার্ভিসের টিম যশোর শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কসহ পাঁচটি বহুতল ভবনে অগ্নিকান্ড প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনা পরির্দশন ও তথ্য সংগ্রহ করে। শুরুতেই বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের আওতাধীন বহুতল ভবন শেখ হাসিনা সফটওয়ার পার্কে গিয়ে অগ্নিনির্বাপণের সব সরঞ্জাম দেখতে পান। কিন্তু তার সবই অচল। ফ্লোরে ফ্লোরে থাকা ফায়ার এক্সটিংগুইশারগুলোও কোনো কাজ করছে না।
এছাড়া শহরের নোভা মেডিকেল ও হোটেল হাসান ইন্টারন্যাশনালের ভবনে অগ্নিনির্বাপণের দুর্বল ব্যবস্থা দেখতে পায় টিম। এসময় তাদেরকে দ্রুত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা সচল করার তাগিদ দেওয়া হয়।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স যশোরের উপ-পরিচালক ওয়াদুদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘মাসব্যাপী পরিদর্শনের অংশ হিসেবে প্রথম যশোর আইটি পার্কে গিয়ে দেখা যায় ফ্লোরে ফ্লোরে ফায়ার এক্সিটিংগুইশারগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ ও তাতে কোনো প্রেশার নেই। এই ভবনটিতে যদি আগুন লাগে তাহলে তা প্রতিরোধ করা দুরহ হয়ে পড়বে। তবে এই ভবনের বহিঃনির্গমন পথগুলো সচল আছে।’
তিনি আরো বলেন, নোভা মেডিকেল সেন্টার ও হাসান ইন্ট্যারন্যাশনাল হোটেলও পরিদর্শন করেছেন তারা। বহুতল এই ভবন দুটোতে ফায়ার এক্সটিংগুইশার ছাড়া অন্য কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেই।
এ অবস্থায় ফায়ার সার্ভিসের অধীনে ভবন ব্যবহারকারীদের প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন অজয়।
যশোরে বহুতল ভবনে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপণের সক্ষমতা না থাকার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির উপপরিচালক ওয়াদুদ হোসেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের যে সরঞ্জামাদি আছে তাতে আমরা যে সাপোর্ট দিতে পারবো তা বহুতল ভবনের উপযোগী নয়। ল্যাডারসহ অনেক যন্ত্রপাতি দরকার। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করি এগুলো আমরা পেয়ে যাব।’
ফায়ার সার্ভিসের তথ্য মতে, যশোরে ৬৫টি বহুতল ভবন রয়েছে। যার অধিকাংশের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাপনা খুবই দুর্বল।#

Facebook Comments
Please follow and like us:
একই রকম সংবাদ


Thia is area 1

this is area2