সোমবার , ১৩ জুলাই ২০২০

মালয়েশিয়ায় অনেক বাংলাদেশি খারাপ অবস্থায় আছে : আদিলুর

 

 ঢাকা: মালয়েশিয়ায় বহুলোক খারাপ অবস্থায় রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সম্পাদক আদিলুর রহমান খান। তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়া বিমানবন্দরের একটি কক্ষে আমাকে আটক করে রাখা হয়েছিল। সেখানে ৬০ জনের বেশি লোক ছিলেন, যার অর্ধেকের বেশি বাংলাদেশি। যাদের অনেকে বেশ খারাপ অবস্থায় আছেন’।

শনিবার রাজধানীর গুলশানে অধিকার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আদিলুর রহমান খান এ কথা বলেন।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের আটকের পর রাখা ডিটেনশন সেন্টার সম্পর্কে তিনি বলেন, এই ডিটেনশন সেন্টারগুলো সরকারি না। এগুলো বেসরকারি। এখানে শুধু পানি বিনা মূল্যে পাওয়া যায়। টাকা থাকলে খাবার কিনে খাওয়া যায়। নইলে না। এখানে অনেক বাংলাদেশি আছেন, যাঁরা পানি খেয়ে দিনের পর দিন বেঁচে আছেন।
অধিকারের সম্পাদক আরও বলেন, বিমানবন্দরে ওই কক্ষে থাকার সময় কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। তাঁদের একজন মো. ইমরান হোসেন। তিনি প্রফেশনাল ভিসা নিয়ে আজকে নিয়ে ষষ্ঠ দিনের মতো আটকা আছেন।
আদিলুর রহমান খান বলেন, তাঁর সঙ্গে বাংলাদেশি এক নারীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ওই নারী তাঁকে জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী ১১ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় কাজ করেন। তিন মাসের ভিসা নিয়ে তিনি স্বামীর কাছে যাচ্ছিলেন। কোনো কারণ না দেখিয়ে তাঁকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
অধিকার সম্পাদক ২০ জুলাই ভোররাত চারটায় ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ায় যান। সেখানে কুয়ালালামপুর ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে নামার পর তাঁকে আর ঢুকতে দেওয়া হয়নি। একটি মানবাধিকার সংগঠনের সম্মেলনে যোগ দিতে তিনি মালয়েশিয়ায় যাচ্ছিলেন। এ ব্যাপারে আজকের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার মানবাধিকার কমিশন বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। এ ব্যাপারে তাই তিনি এখন কিছু বলতে চান না।
অধিকারের সভাপতি সি আর আবরার বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব বাংলাদেশির ব্যাপারে কিছু জানে কি না বা কোনো উদ্যোগ নিয়েছে কি না, তা জানা প্রয়োজন।

About ক্রাইমবার্তা ডটকম

Check Also

ব্যাংক হিসাব ও লেনদেনে ভিন্ন ভিন্ন স্বাক্ষর: সাহেদ ব্যক্তিজীবনেও ‘নষ্ট, ৩ বিয়ে, ‘প্রাইভেট রুমে’ ৫ বান্ধবী

ক্রাইমর্বাতা ডেস্করিপোট: করোনাভাইরাসের চিকিৎসা নিয়ে জালিয়াতির ঘটনায় অভিযুক্ত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *