বিবৃতিতে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান -‘রিমান্ডে থাকা জামায়াতের আমির অসুস্থ, চিকিৎসা দেয়ার আহ্বান’

ক্রাইমবার্তা ডেস্কর্রিপোট:ঢাকা : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির মকবুল আহমাদসহ গ্রেফতারকৃত সকল নেতা-কর্মীর নিঃশর্ত মুক্তির জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত আমির ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। একইসঙ্গে মকবুল আহমাদের সুচিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানান তিনি।
ঢাকা : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির মকবুল আহমাদসহ গ্রেফতারকৃত সকল নেতা-কর্মীর নিঃশর্ত মুক্তির জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত আমির ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। একইসঙ্গে মকবুল আহমাদের সুচিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানান তিনি।
আজ ২০ অক্টোবর গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “মকবুল আহমাদের বয়স প্রায় ৮০ বছর। তিনি ডায়াবেটিক, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিল রোগে আক্রান্ত। তিনি মেরুদণ্ডের ব্যথার কারণে সোজা হয়ে বসতে ও শুতে পারেন না। তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমেই অবনতি ঘটছে। বিশেষ করে ৯ অক্টোবর তাঁকে গ্রেফতার করার পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাঁকে আটকে রেখে পরদিন বিকেলে আদালতে উপস্থাপন এবং ১০ দিনের বিরতিহীন রিমাণ্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের নামে নানাভাবে হয়রানি করছে। রিমান্ডে থাকায় তিনি গুরুতরভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁর ডায়াবেটিক, উচ্চ রক্তচাপ এবং মেরুদণ্ডের ব্যথা বেড়ে যাওয়ার আশংকায় তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি নিয়মিতভাবে থ্যারাপি নিতেন। এখন থ্যারাপি নেওয়ার ব্যবস্থা না থাকায় তাঁর স্বাস্থ্যগত অবস্থার মারাত্মক অবনতি হতে পারে বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, একজন বয়োবৃদ্ধ অসুস্থ মানুষকে আটক করে এবং রিমান্ডে নিয়ে সরকার তাঁর মৌলিক মানবিক অধিকার লংঘন করেছে। চিকিৎসার যথাযথ ব্যবস্থা থেকে বঞ্চিত করে সরকার তাঁর সাংবিধানিক অধিকারের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করেছে। যে কোন নাগরিকের চিকিৎসার সুব্যবস্থা প্রাপ্তি তাঁর সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার।
মকবুল আহমাদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা হওয়া প্রয়োজন। মকবুল আহমাদের জন্য চিকিৎসার সুব্যবস্থা গ্রহণ এবং তিনিসহ জামায়াতের আটককৃত সকল নেতা-কর্মীর নিঃশর্তভাবে মুক্তি দাবিও করেছেন অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। ২০ অক্টোবর গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “মকবুল আহমাদের বয়স প্রায় ৮০ বছর। তিনি ডায়াবেটিক, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিল রোগে আক্রান্ত। তিনি মেরুদণ্ডের ব্যথার কারণে সোজা হয়ে বসতে ও শুতে পারেন না। তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমেই অবনতি ঘটছে। বিশেষ করে ৯ অক্টোবর তাঁকে গ্রেফতার করার পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাঁকে আটকে রেখে পরদিন বিকেলে আদালতে উপস্থাপন এবং ১০ দিনের বিরতিহীন রিমাণ্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের নামে নানাভাবে হয়রানি করছে। রিমান্ডে থাকায় তিনি গুরুতরভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁর ডায়াবেটিক, উচ্চ রক্তচাপ এবং মেরুদণ্ডের ব্যথা বেড়ে যাওয়ার আশংকায় তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি নিয়মিতভাবে থ্যারাপি নিতেন। এখন থ্যারাপি নেওয়ার ব্যবস্থা না থাকায় তাঁর স্বাস্থ্যগত অবস্থার মারাত্মক অবনতি হতে পারে বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, একজন বয়োবৃদ্ধ অসুস্থ মানুষকে আটক করে এবং রিমান্ডে নিয়ে সরকার তাঁর মৌলিক মানবিক অধিকার লংঘন করেছে। চিকিৎসার যথাযথ ব্যবস্থা থেকে বঞ্চিত করে সরকার তাঁর সাংবিধানিক অধিকারের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করেছে। যে কোন নাগরিকের চিকিৎসার সুব্যবস্থা প্রাপ্তি তাঁর সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার।
মকবুল আহমাদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা হওয়া প্রয়োজন। মকবুল আহমাদের জন্য চিকিৎসার সুব্যবস্থা গ্রহণ এবং তিনিসহ জামায়াতের আটককৃত সকল নেতা-কর্মীর নিঃশর্তভাবে মুক্তি দাবিও করেছেন অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।

Facebook Comments
Please follow and like us: