গাবুরায় বিএনপি প্রার্থীর জয়ের নেপথ্যে জামায়াতের মহিলা ভোট

আলোর পরশ নিউজ:শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা ঃশ্যামনগরের গাবুরায় ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীর এত বড় জয় কেন এমন প্রশ্ন সকলের। গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত জেলার সর্বত্র চলছে এ নিয়ে গুঞ্জন। কেউ কেউ বলছে সরকারের জনপ্রিয়তা শুন্যের কোটায়। ফিয়ার নির্বাচন হলে বেশির ভাগ জায়গাতে এমন পরাজয় হবে।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছে ভিন্ন কথা। তারা বলছে,আ’লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও চেয়ারম্যান প্রার্থির অযোগ্যতা পরাজয়ের অন্যতম কারণ। অন্যদিকে জামায়াত অধ্যুসিত ইউনিয়নটিতে জামায়াতের ভোটারা নিরব ভোট বিপ্লব ঘটিয়েছে।বিশেষ করে জামায়াতের নারী ভোটাররা।সকাল থেকে জামায়াতের ভোটাররা দীর্ঘ লাইন দিয়ে ভোট দিয়ে চলৈ যায়। এছাড়া দীর্ঘ দিন পর জামায়াত বর্তমান সরকারের প্রতি অনাস্থা জানাতে প্রতিশোধ দিয়ে প্রতিশোধ নেয়। তাছাড়া বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা গ্রুপিং ভুলে এক কাতারে মিলে ভোটারদের কাছে ভোট চায়।
এর আগে গতকালি শ্যামনগর উপজেলার ১২নং গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি প্রার্থী আলহাজ্জ্ব জি এম মাছুদুল আলম বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। গত ২৮ ডিসেম্বর শ্যামনগর উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং অফিসার মোঃ রবিউল ইসলাম জানান, গাবুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৫জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বি,এন,পি প্রার্থী ধানেরশীষ প্রতিক নিয়ে ৮ হাজার ৩৯ ভোট পেয়ে জি, এম, মাছুদুল আলম জয়ীহন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ প্রার্থী নৌকা প্রতিক নিয়ে এস, এম, রবিউল ইসলাম পেয়েছেন ১ হাজার ৩ শত ২৬ ভোট, স্বতন্ত্রা প্রার্থী মোহাঃ মোস্তাফিজুর মোটর সাইকেল প্রতিক ৬শত ৪৩টি, মোঃ রবিউল ইসলাম জোয়ারদার আনারস প্রতিক ১শত ৫১টি, জি, এম, জহুরুল আলম দোয়াতকলম প্রতিক ১৯টি এবং ভোট বাতিল হয়েছে-৬৭টি, বৈধ ভোটের সংখ্যা ১০ হাজার ১শত ৭৮টি, মোট পোল হওয়া ভোটের সংখ্যা- ১০ হাজার ২শত ৪৫টি।গাবুরা ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ২২ হাজার ১শত ২৪ জন। মোট ভোটার কেন্দ্র-০৯টি। নুরনগরে মোট ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৪শত ৩৯ জন ভোট কেন্দ্র-১টি। এদিকে নুরনগর ইউপি ১নং ওয়ার্ডে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন ৫ জন। এর মধ্য থেকে মোঃ আব্দুল করিম টিউবওয়েল প্রতিকে ৬ শত ৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। অধিকাংশ ভোটাররা নিজ নিজ কর্মসংস্থানে থাকায় তারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

২৯ ডিসেম্বর,২০১৭ শুক্রুবার::আলোর পরশ.কম/প্রতনিধি/আসাবি

 

Facebook Comments
Please follow and like us: