ডোমার উপজেলার চিলাহাটিতে আনন্দঘন পরিবেশে বই উৎসব পালিত#গোদাগাড়ীতে ৭ লক্ষ নতুন বই উৎসবে মেতে উঠল শিক্ষার্থীরা#শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শতভাগ শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দেয়া সম্ভব হয়েছে: শিল্পমন্ত্রী

তোজাম্মেল হোসেন মঞ্জু,ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি : সারা দেশের ন্যায় ডোমার উপজেলার চিলাহাটিতেও আনন্দঘন পরিবেশে পহেলা জানুয়ারী বই উৎসব পালিত হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে নতুন বই। নতুন বই হাতে পাওয়ার বাড়ী ফেরার পথে শিক্ষার্থীদের মাঝে লক্ষ করা যায় আনন্দের ছাপ। আজ সোমবার এ বই বই উৎসব পালিত হওয়ায় এবং যথা সময়ে বই-বিতরণ অভিভাবকেরা সরকারের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ডোমার উপজলোর চিলাহাটি মার্চ্ছেন্টস উচ্চ বিদ্যালয়, চিলাহাটি মার্চ্ছেন্টস সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,কাঠালতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর চান্দখানা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, চান্দখানা জি.আর উচ্চ বিদ্যালয়সহ আরও অনেক বিদ্যালয়ে বই বিতরণ করা হয়েছে।
চিলাহাটিতে বই বিতরণ অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন ডোমার উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক বসুনীয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চিলাহাটি প্রেসক্লাবের সভাপতি তোজাম্মেল হোসেন মঞ্জু ,যুবলীগ সভাপতি এ.কে.এম জাহাঙ্গীর বসুনীয়া রাসেল ও প্রধান শিক্ষক এরসাদুল হক জিল্লুর এবং স্থানীয় সুধী মহল। অপরদিকে চিলাহাটি মার্চ্ছেন্টস উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক, সভাপতি রাশেদুল হক ফিলিপ,সদস্য মতিয়ার রহমান ও শিক্ষক বৃন্দ বই বিতরনকালে কয়েকশত ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন। বই বিতরন কালে সভপতি তার বক্তব্য বলেন যে, আওয়ামীলীগ সরকারের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাচিনার এই অবদান ছাত্র-ছত্রীদের মনে রাখার আহব্বান জনান এবং ভালো ভাবে পড়াশুনা মনোযোগী হতে বলেন ।

শামসুজ্জোহা বাবু,গোদাগাড়ী প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সকাল ১০টা থেকে উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন বই তুলে দেন রাজশাহী-১ গোদাগাড়ী- তানোরের উন্নয়নের রূপকার সাবেক সফল শিল্প প্রতিমন্ত্রী রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সভাপতি জননেতা জনাব আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে তিনি ভালোভাবে লেখাপড়া করার এবং ভালো রেজাল্ট করার আহ্বান জানান। উপস্থিত সবাইকে তিনি নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান। উপজেলায় এ বছর শিশু শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত নতুন বই দেয়া হবে দুই লক্ষ ২০ হাজার ১৪০ টি । মাধ্যমিক বিভাগে ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ৯ ম শ্রেণী পর্যন্ত নতুন বই দেয়া হবে ৪ লক্ষ ৪ হাজার ৪০০ টি । মাদ্রাসার এবতেদায়ী শাখায় নতুন বই দেওয়া হবে ৩৭ হাজার ৯০০ টি । দাখিল বিভাগে ৬ ষ্ঠ থেকে ৯ ম শ্রেনী পর্যন্ত নতুন বই দেয়া হবে ৮৪ হাজার ৪০০ টি এবং ভোকেশনাল শাখায় নবম ও দশম শ্রেনীর নতুন বই দেয়া হবে ৪ হাজার ৪০০ টি। উপজেলা শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা যায় গোদাগাড়ী উপজেলার মোট ১৬৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মোট ৬৬ টি মাধ্যমিক স্কুল এবং ৩২ টি মাদ্রাসায় নতুন বছরের প্রথম দিনে নতুন বই বিতরণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছ।সকল প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। পহেলা জানুয়ারি হলেই বই উৎসবে মেতে উঠবে গোদাগাড়ীর শিক্ষার্থীরা । বছরের প্রথম দিনে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন বই বিতরণ করা হবে। উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান জানান, নতুন বছরের প্রথম দিনে একযোগে গোদাগাড়ীর প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৬৫ টি বিদ্যালয়ে বই বিতরণ করা হবে। এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার শামসুল করিম বলেন, উপজেলার ৬৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়,৩২ টি মাদ্রাসা এবং ৪ টি ভোকেশনালে বই বিতরণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর বই বিতরণ উদ্বোধনের পর রাজশাহীর গোদাগাড়ীর প্রতিটা বিদ্যালয়ে সকাল নয় বই বিতরণ শুরু করা হয়।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শতভাগ শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দেয়া সম্ভব হয়েছে: শিল্পমন্ত্রী

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী পরিষদের অন্যতম উপদেষ্টা বাংলাদেশ সরকারের শিল্পমন্ত্রী আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসুরী জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রতি বছরের প্রথম দিন প্রাথমিক-মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা পর্যায়ের সকল শিক্ষার্থী নতুন বই হাতে পাচ্ছে। এক সময় প্রতি শিক্ষা বছরে অর্ধেকের বেশী শিক্ষার্থী নতুন বই কিনতে না পারায় শিক্ষাঙ্গন থেকে ঝড়ে পরতো। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের শতভাগ শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দেয়া সম্ভব হয়েছে।
ঝালকাঠি সরকারী বালক বিধ্যালয়ের মাঠে জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা বিভাগের আয়োজনে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই বিতরন উৎসবের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথি ঝালকাঠি- (ঝালকাঠি-নলছিটি) আসনের সংসদ সদস্য শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপি একথা বলেন।
শিল্পমন্ত্রী আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু আরো বলেন, স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু প্রথম প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষাকে জাতীয়করন করেছিলেন। তিনি সদ্যস্বাধীন দেশের বিজ্ঞানী ডঃ কুদরতি ক্ষুধাকে প্রধান করে একটি শিক্ষা নীতি প্রনয়ন করে ছিলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর কোন সরকার দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়নে কোন শিক্ষা নীতি প্রনয়ন করেনি। এরপর এরশাদের আমলে শিক্ষা নীতির প্রনয়নের দাবীতে জয়নাল-দীপালী সহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থী আত্মাহুতি দিলেও কোন শিক্ষা নীতির দেখা পায়নি।
শিল্পমন্ত্রী আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু বলেন, বঙ্গবন্ধুর পর তারই গর্বিত সন্তান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি জাতীর শিক্ষাগত ভিতি মজবুত করার লক্ষে একটি যুগপোযুগী শিক্ষানীতি প্রনয়ন করেন। এতে দেশ বিরোধী একটি চক্র প্রনীত শিক্ষানীতি মাদ্রাসা শিক্ষা বিরোধী বলে অপপ্রচার চালালেও অচিরেই তাদের সে ষড়যন্ত্র ভেস্তে যায়। আগের শিক্ষা ব্যবস্থায় মাদ্রাসায় পরাশুনা করা শিক্ষার্থীরা যেখানে গরু জবাই আর মিলাদ পড়ানো ছাড়া ভালো কোন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারতো না। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত শিক্ষানীতির কারনে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা এখোন ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারসহ সরকারী-বেসরকারী সকল বিভাগে চাকুরীর সুযোগ পাচ্ছে।
বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা আর আনন্দমুখর পরিবেশে বছরের প্রথম দিন ঝালকাঠিতে অনুষ্ঠিত এ বই বিতরণ উৎসবে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক। ঝালকাঠি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে সোমবার সকাল ১১ টায় অনুষ্ঠিত এ নতুন বই বিতরন উৎসবে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার মো. শাহ আলম, পুলিশ সুপার মো. জোবায়েদুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খান সাইফুল্লাহ পনির, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রাণ গোপাল দে, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ছাইয়াদুজ্জামান, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম হারুন অর রশীদ।
ঝালকাঠি জেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের দুই লাখ শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বছরের নতুন বই তুলে দেয়া হয়। বিনামূল্যে নতুন বই হাতে পেয়ে আনন্দে মেতে ওঠে শিক্ষার্থীরা। নেচে গেয়ে শিক্ষার্থীরা বই বিতরণ উৎসব মুখরিত করে রাখে।

Facebook Comments
Please follow and like us: