আ’লীগের মনোনয়ন ফরম বিরতরণ শুরু: বিএনপির আজ

ক্রাইমবার্তা রিপোর্ট:ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন উপনির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রার্থীদের কাছে আজ আবেদনপত্র বিক্রি করবে বিএনপি। গত রাতে গুলশানের কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকের একপর্যায়ে দলের এ সিদ্ধান্তের কথা সাংবাদিকদের জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়ন ইচ্ছুক প্রার্থীরা আজ রোববার ৪টার মধ্যে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ফরম সংগ্রহ করতে পারবেন। আগামীকাল সোমবার বিকেল ৪টার মধ্যে ২৫ হাজার টাকা জামানতসহ আবেদন ফরম জমা দিতে হবে। সোমবার রাতেই দলের মনোনয়ন বোর্ড সম্ভাব্য প্রার্থীদের সাাৎকার নেবে। পরে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।
আনিসুল হকের মৃত্যুতে শূন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে উপনির্বাচনের জন্য আগামী ২৬ ফেরুয়ারি ভোটের দিন ঠিক করেছে নির্বাচন কমিশন।

এ উপনির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া যাবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। তা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ জানুয়ারি। ভোট হবে আগামী ২৬ ফেরুয়ারি।
তিন বছর আগের এ নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী তাবিথ আউয়ালকে হারিয়ে মেয়র হয়েছিলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আনিসুল হক।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, এবারো বিএনপি প্রার্থীদের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন তাবিথ আউয়াল।
খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে এ বৈঠকে মহাসচিব ছাড়াও স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, রফিকুল ইসলাম মিয়া, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। রাত সোয়া ১১টায় বৈঠক শেষ হয়।

আ’লীগের মনোনয়ন ফরম নিলেন আতিকুল

ঢাকা উত্তর করপোরেশনে মেয়র পদে উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে ফরম বিক্রি শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল থেকে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই মনোনয়ন বিক্রি শুরু হয়।

প্রথম দিনে আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আবদুস সোবাহান গোলাপের কাছ থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে ব্যবসায়ী নেতা আতিকুল ইসলামের পক্ষে তার প্রতিনিধিদল। এ দলে ছিলেন তার নির্বাচনী সমন্বয়ক এ কে এম মিজানুর রহমান, সহকারী সমন্বয়ক ইমতিয়াজ মঈনুল ইসলাম। এর আগে ফরম সংগ্রহ করেন আরো চার মেয়র প্রার্থী। তারা হলেন রাসেল আশেকী, আদম তমিজি হক, ফরহাদ হোসেন ও শাহ আলম।
মনোয়ন ফরম বিতরণ চলবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। ১৬ জানুয়ারি দলের মনোনয়ন বোর্ডে চূড়ান্ত হবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী।

মনোনয়ন সংগ্রহের পর রাসেল আশেকী সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর হাতকে আরো শক্তিশালী করতে এবং ঢাকা উত্তরের জনগণের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যেতে চাই। আমি মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হলে ডিএনসিসি এলাকার সার্বিক উন্নয়নে আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে কাজ করব।’
অন্য দিকে মনোনয়ন ফরম কিনেই গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি কটূক্তি করেন সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে প্রার্থিতার ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় আসা ব্যবসায়ী আদম তমিজি হক।

সকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে যান তমিজি। সেখান থেকে বের হয়ে আওয়ামী লীগের এই মনোনয়নপ্রত্যাশী বলেছেন, ‘টাকা ছিটালেই সাংবাদিকের অভাব হয় না’।
তমিজির ক্ষোভের কারণ, তিনি ভোটের লড়াইয়ে নামতে চাওয়ার পর গণমাধ্যম তাকে নিয়ে তেমন আলোচনা করেনি। আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আতিকুল ইসলামের নামই প্রচার করেছে।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আগে আপনারা কোথায় ছিলেন? আজ আমি যখন নমিনেশন ফরম নিতে এসেছি তখন আপনাদের আমার দিকে নজর পড়েছে? এতদিন তো আপনারা সবাই আতিকুল ইসলামের পেছনে ছুটেছেন। আজ যখন বুঝেছেন আমি মেয়র হতে যাচ্ছি, তখন আপনারা আমার পিছু নিয়েছেন।’
আনিসুল হকের মৃত্যুতে ফাঁকা হওয়া ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র পদ পূরণে ভোট হবে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি। এজন্য প্রার্থিতা জমা দেয়ার শেষ সময় ১৮ জানুয়ারি।১৪জানুয়ারী,২০১৮রবিবার::ক্রাইমর্বাতা.কম/প্রতিনিধি/আসাবি

খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, ড. আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ।

খালেদার মামলায় চূড়ান্ত যুক্তিতর্কে যা বললেন আইনজীবীরা
‘জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার সব সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে দেখেছি, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগই দুর্নীতি দমন কমিশন প্রমাণ করতে পারেনি। ফৌজদারি মামলায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে না পারলে এর সুবিধা পাবেন আসামি’ বলে মন্তব্য করেছেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার।

বৃহস্পতিবার পুরান ঢাকার আলিয়া মাদ্রাসাসংলগ্ন মাঠে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আখতারুজ্জামানের আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচারের যুক্তিতর্ক শুনানির সময় আদালতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এসময় তিনি আদালতকে উদ্দেশ করে আরো বলেন, ‘খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার চান, ন্যায়বিচার করুন।’ নবম দিনের মতো খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন বিএনপি নেতা সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার। মধ্যাহ্ন বিরতির পর যুক্তিতর্ক শুরু করেন মওদুদ আহমদ।

‘খালেদা জিয়া এতিমের টাকা চুরি করে খেয়েছেন’—প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের এমন বক্তব্য আদালতের কাজে হস্তক্ষেপ কি না, সে বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার। এখন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ৩৬টি মামলা আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক কারণে এসব মামলা দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির এই নেতা তার বক্তব্যে বারবারই আইনের শাসন, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের কথা আদালতকে স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি এক-এগারোকে ‘কালো দিবস’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ওই সময় সম্পূর্ণ রাজনৈতিক কারণে ও খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত করতে মামলা দেওয়া হয়েছে।

মধ্যাহ্ন বিরতির পর যুক্তিতর্ক শুরু করে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ অভিযোগ তুলে আদালতের উদ্দেশে বলেন, ‘আদালতে আইনজীবীদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে’, এসময় ‘খালেদার বিচার পাবলিক ট্রায়াল হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন না’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন, ‘জনগণের উপস্থিতিতে বিচার হচ্ছে না, হচ্ছে ক্যামেরা ট্রায়াল’।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাকে ‘বানোয়াট’ মামলা আখ্যায়িত করে মওদুদ বলেন, এ মামলা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চরম বহিঃপ্রকাশ। এটা ফৌজদারি মামলার আবরণে রাজনৈতিক মামলা। ক্যামেরা ট্রায়াল করার জন্য খালেদা জিয়ার আরও ১৪টি মামলা এখানকার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বাবা-মায়ের নামে করা ট্রাস্টের টাকা কেউ আত্মসাৎ করতে পারে তা বাংলাদেশের কোনো সুস্থ মানুষ বিশ্বাস করে না মন্তব্য করে মওদুদ বলেন, আদালতের ওপর যদি রাজনৈতিক প্রভাব না থাকত তাহলে আগেই খালেদা জিয়ার এই মামলা খারিজ করে দিতে পারতেন।

মওদুদ আহমদ বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের টাকা আত্মসাৎ তো দূরের কথা, ২ কোটি থেকে ৬ কোটি টাকা হয়েছে। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে দুদক। আইনের দৃষ্টিতে এই মামলা অগ্রহণযোগ্য।

মওদুদ আদালতকে জানান, অযোগ্য ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা হওয়ার কারণে দুদক থেকে তদন্ত কর্মকর্তা হারুন অর রশীদ তার চাকরি হারান। পরে তিনি মইন উদ্দিন ও ফখরুদ্দিনের অবৈধ সরকারকে ধরে চাকরিতে ফেরেন। তার ক্ষোভ ছিল। অথচ তাকে দিয়ে মামলা তদন্ত করানো হলো।

দুদক মূল নথি উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছে জানিয়ে মওদুদ বলেন, জালিয়াতির মাধ্যমে নথি তৈরি করা হয়েছে, যা ভয়াবহ ফৌজদারি অপরাধ। জালিয়াতি নিয়ে উচ্চ আদালতের একাধিক নজির পড়ে শোনানোর পর মওদুদ আদালতকে জানান, নিশ্চয় আদালত জালিয়াতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন। তদন্ত করানোর ব্যবস্থা করবেন। তা না করেও যদি বিশ্বাস করেন যে জালিয়াতি হয়েছে তাহলে মামলা আর এগোতে পারে না।

কুয়েতের আমির জিয়াউর রহমানকে খুব ভালোবাসতেন জানানোর পর মওদুদ বলেন, ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুস্তাফিজুর রহমান কুয়েতের আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এতিমদের জন্য জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টকে কুয়েতের আমির টাকা দেন। এই টাকা সরকারের কোনো টাকা না। নথিপত্রের কোথাও কোনো জায়গায় খালেদা জিয়ার স্বাক্ষরও নেই। খালেদা জিয়া সম্পূর্ণ নির্দোষ।

এর আগে গত বুধবার এ মামলায় অষ্টম দিনের মতো যুক্তিতর্ক শুনানি হয়। শুরুতে খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী।

এরপর খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলীকে উদ্দেশ করে বিচারক বলেন, ‘আপনি বিরতির আগে আপনার যুক্তিতর্ক শেষ করবেন। আজ নবম দিনের যুক্তিতর্কের মধ্যে আপনিই পাঁচ দিন চালাচ্ছেন। খন্দকার মাহবুব একদিন, আবদুর রেজাক খান দুদিন বললেন। আর কত দিন বলবেন? প্রসিকিউশন তো মাত্র একদিন বলল।’
এ কথা শুনে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আদালতে হৈচৈ শুরু করেন। এ সময় খালেদা জিয়া আদালতের সামনে একটা চেয়ারে বসেছিলেন। আইনজীবীরা হৈচৈ শুরু করলে তিনি আদালতের দিকে তাকিয়ে থাকেন।
এ সময় ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন বলেন, ‘এটা তো মার্শাল কোর্টের চেয়েও খারাপ নজির। ওয়ান-ইলেভেন ক্যাঙ্গারু কোর্টে এমনভাবে সময় বেঁধে দেয়নি।’

এ সময় খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘বিজ্ঞ আদালত, আপনি আমাকে শুনানি করার জন্য আটকিয়ে দিতে পারেন না, সময় বেঁধে দিতে পারেন না। আসামিকে বলার সুযোগ করে দিতে হবে।’

এরপর আদালতে আইনজীবীরা আবারও হৈচৈ শুরু হলে আদালত বলেন, ‘আমি এখন মুলতবি করে দেবো।’
জবাবে খালদা জিয়ার প্রধান আইনজীবী আবদুর রেজাক খান আদালতকে বলেন, ‘বিজ্ঞ আদালত আমাকে এক মিনিট বলার সুযোগ দেন।’

বিচারক বলেন, ‘সিনিয়র, আপনি বলেন।’

পরে আবদুর রেজাক খান বলেন, ‘এ মামলায় মূল কথা তিনটি। খালেদা জিয়া আ্যকাউন্ট খুলেছেন কি না? টাকা উত্তোলন করেছেন কি না? ব্যয় করেছেন কি না? তাহলে প্রসিকিউটর কি এসব প্রমাণ করতে পেরেছেন? আমি মনে করি, পারেননি।’

‘যে কারণে আমাদের এতসব যুক্তিতর্কের সময় নিতে হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি হত্যারও বিচার এত বছর পর নিষ্পত্তি হয়নি, রাজীব গান্ধী হত্যা চোখের সামনে হয়েছে। এরপরও এত বছরে তা নিষ্পত্তি হয়নি। তাহলে এখানে আসামিকে শুনতে দিচ্ছেন না কেন? আসামিকে শোনার সুযোগ দিতে হবে।’

এই পর্যায়ে আদালত আবার বলার সুযোগ দেন। এরপর এ জে মোহাম্মদ আলী আবার যুক্তিতর্ক শুরু করেন। জালিয়াতির মাধ্যমে নথি তৈরির অভিযোগ এনে তদন্ত কর্মকর্তাসহ ছয়জন সাক্ষীর শাস্তি চেয়ে লিখিত আবেদন করে তিনি তার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ করেন।

প্রসঙ্গত, ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই দুদক এ মামলা করে। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট এ মামলায় খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, মাগুরার বিএনপির সাবেক সাংসদ কাজী সালিমুল হক কামাল, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগনে মমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান মামলায় শুরু থেকে পলাতক আছেন।১৩জানুয়ারী,২০১৮শনিবার::ক্রাইমর্বাতা.কম/প্রতিনিধি/আসাবি

Facebook Comments
Please follow and like us: