রাঙ্গামাটিতে দুই ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যা#পাবনায় আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ#রাজশাহীতে নৈশকোচের ধাক্কা, নিহত ৩

ক্রাইমবার্তা রির্পোটঃরাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) দুই কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার দিবাগত ৩টার দিকে উপজেলার বুড়িঘাট ইউনিয়ননের রামহরি পাড়া নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- আকর্ষণ চাকমা (৪২) ও শ্যামল কান্তি চাকমা (৩২)। পুলিশ ও স্থানীয়রা ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, সুমেন চাকমা নামে ওই এলাকার এক আত্মীয় বাড়ি বেড়াতে যান আকর্ষণ ও শ্যামল কান্তি। রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে তাদেরকে গুলি করে হত্যা করে ফেলে যায় দুর্বৃত্ততরা।

নানিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল লতিফ বলেন, ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। লাশ উদ্ধারে ঘটনাস্থল গেছে পুলিশ।

—-0——-

পাবনায় আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত ৭

  পাবনা প্রতিনিধি ২১ সেপ্টেম্বর ২

পাবনা সদর উপজেলার সাদুল্লাপুরে স্থানীয় আধিপত্য নিয়ে আওয়ামী লীগের দু’ গ্রুপের সংঘর্ষে ৩ জন গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে ৭ জন আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দেলোয়ার হোসেন (৩৬), আব্দুস সোবহান (৪০) এবং সিদ্দিকুর রহমানকে (৪৫) পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ আব্দুস সোবহানের অবস্থা আশংকাজনক।

বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের শ্রীকোল বাজারে এলাকায় ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আতাইকুলা থানার ওসি মাসুদ রানা জানান, এলাকায় আধিপত্য নিয়ে সাদুল্লাহপু ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস কুদ্দুস মুন্সী গ্রুপের সঙ্গে একই দলের শরাফত গ্রুপের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

এর জের ধরে বৃহস্পতিবার রাতে শ্রীকোল বাজারে উভয় গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও পরে তা সংঘর্ষে রুপ নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রায় ৪০ মিনিট ধরে ওই সংঘর্ষ চলে। খবর পেয়ে আতাইকুলা থানার ওসির নেতৃত্বে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংঘর্ষে কুদ্দুস মুন্সী গ্রুপের ৩ জন গুলিবিদ্ধসহ উভয় গ্রুপের কমপক্ষে ৭ জন আহত হয়। সংঘর্ষের জের ধরে এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, পরিস্থিতি এখন শান্ত। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

-0———

রাজশাহীতে থেমে থাকা ট্রাককে নৈশকোচের ধাক্কা, নিহত ৩

রাজশাহীর পুঠিয়ায় থেমে থাকা ট্রাককে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়েছে শ্যামলী পরিবহনের একটি নৈশকোচ। এতে ঘটনাস্থলেই ট্রাকটির চালক ও হেলপারসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২০ জন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে উপজেলার তারাপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাদের একজন রিজু (২৫)। বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায়।

তিনি বাসের হেলপার ছিলেন। নিহত আরেকজন জাকির হোসেন (২৮)। রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার মুক্তারপুর গ্রামে তার বাড়ি। তিনি ট্রাকের চালক ছিলেন।

নিহত অপরজনের পরিচয় জানা যায়নি। তবে তিনি ট্রাকের হেলপার ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী সদর স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার ফরহাদ হোসেন এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, তারাপুর এলাকায় বালুভর্তি একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট ০২-০৪৫৬) রাস্তার বাম পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহনের ওই নৈশকোচটি (ঢাকা মেট্রো-ব ১৪-৬০-২৭) পেছন থেকে ট্রাকটিকে ধাক্কা দেয়। এতে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহী সদর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও পুঠিয়া সদর স্টেশনের কর্মীরা গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করেন।

এসময় পুঠিয়া থানা পুলিশ এবং পবা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরাও ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের সাথে অংশ নেন। আহতদের পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ফরহাদ হোসেন জানান, আহতদের সবাই বাসের যাত্রী। তাদের মধ্যে চার-পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Facebook Comments
Please follow and like us: