আগাম লবণ সহিঞ্চু জাতের ফুলকপি চাষে আগ্রহ বাড়ছে শ্যামনগরের চাষীদের

জিল্লুর রহমান: ক্রাইমবার্তা রির্পোট: আগাম জাতের ফুলকপি চাষে লাভবান হচ্ছেন শ্যামনগরের চাষীরা। অল্প খরচে লাভ বেশি হওয়ায় উপজেলাটিতে প্রতি বছরই বাড়ছে আগাম ফুলকপির চাষ। এবছর ফলনও হয়েছে বাম্পার। এবছর উপজেলটিতে ৭শ হেক্টও জমিতে সবজির আবাদের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ফুলকপি৬০ হেক্টর জমিতে।
সংশ্লিষ্ঠরা জানান, উপকুলীয় এ অঞ্চলে লবণক্ষতা দিন দিন বেড়েই চরেছে। এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে আগাম জাতের ফুলকপির চাষ চাষীদেও মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে।
শীতকালিন সবজির মধ্যে ফুলকপি অন্যতম। আগাম জাতের ফুলকপি চাষ করে আশায় বুক বেধেঁছেন শ্যামনগর,কাশিমাড়ী গ্রামের,কৃষক মুরশিদ আলম ।
তিনি প্রায় ১৩ বছর ধরে কপি চাষ করছেন। এ বছর প্রায় চার বিঘা তিনি ফুলকপি চাষ করেছেন। এবছর
তার জমিতে আগাম জাতের ফুলকপি, বাঁধাকপি ও চায়না ফুলকপির ফলন বেশ ভাল হয়েছে।
এবছর তার খরচ হযৈছে ৮০-৯০ হাজার টাকা। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকার বেচা কেনা ফুলকপি বেচা কেনার স্বপ্ন দেখছেন কৃষক মুরশিদ আলম।
তিনি জানান জানান,এবছর ঢাকার সিদ্দিক বাজার থেকে সাড়ে সাত হাজার টাকার বীজ ক্রয় করেন। এ দিয়ে ফুলকপির আট হাজার, বাঁধাকপির চার হাজার ও বরকুলের দুই হাজার চারা উৎপাদন করে সেই চারা রোপন করেন। আগামী ১০-১৫ দিনের মধ্যে সেই আগাম জাতের ফুলকপি বাজারজাত করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী। বর্তমানে স্থানীয় বাজারে প্রতি মণ ফুলকপির দাম দেড় হাজার থেকে দুই হাজার টাকা। তারা দেখা দেখিতে
উপজেলার অন্যান্য এলাকার কৃষকরাও ফুলকপি চাষে অগ্রহী হয়ে উঠেছে। উপজেলার বেশিরভাগ চাষীরা বর্তমানে ফুলকপি পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বাজারে দাম ভাল পাবে এমন স্বপ্ন দেখছে তারা । এলাকার চাহিদা মিটিয়ে ফুলকপি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হবে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচাল কৃষিবিদ আব্দুল মান্নান জানান,উপকুলীয় জেলাটির শ্যামনগরে আগাম জাতের সবজি চাষে বেশ সফলতা পাচ্ছে চাষীরা। বিশেষ করে লবণ সহিঞ্চুতা জাতের কপি চাষে চাষীদের উদ্ধুদ্ধ করা হচ্ছে। এবছর আগাম জাতের ফুলকপি চাষে বেশ সফল হয়েছে চাষীরা
আগাম লবণ সহিঞ্চু জাতের ফুলকপি চাষে আগ্রহ বাড়ছে শ্যামনগরের চাষীদের
জিল্লুর রহমান: ক্রাইমবার্তা রির্পোট: আগাম জাতের ফুলকপি চাষে লাভবান হচ্ছেন শ্যামনগরের চাষীরা। অল্প খরচে লাভ বেশি হওয়ায় উপজেলাটিতে প্রতি বছরই বাড়ছে আগাম ফুলকপির চাষ। এবছর ফলনও হয়েছে বাম্পার। এবছর উপজেলটিতে ৭শ হেক্টও জমিতে সবজির আবাদের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ফুলকপি৬০ হেক্টর জমিতে।
সংশ্লিষ্ঠরা জানান, উপকুলীয় এ অঞ্চলে লবণক্ষতা দিন দিন বেড়েই চরেছে। এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে আগাম জাতের ফুলকপির চাষ চাষীদেও মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে।
শীতকালিন সবজির মধ্যে ফুলকপি অন্যতম। আগাম জাতের ফুলকপি চাষ করে আশায় বুক বেধেঁছেন শ্যামনগর,কাশিমাড়ী গ্রামের,কৃষক মুরশিদ আলম ।
তিনি প্রায় ১৩ বছর ধরে কপি চাষ করছেন। এ বছর প্রায় চার বিঘা তিনি ফুলকপি চাষ করেছেন। এবছর
তার জমিতে আগাম জাতের ফুলকপি, বাঁধাকপি ও চায়না ফুলকপির ফলন বেশ ভাল হয়েছে।
এবছর তার খরচ হযৈছে ৮০-৯০ হাজার টাকা। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকার বেচা কেনা ফুলকপি বেচা কেনার স্বপ্ন দেখছেন কৃষক মুরশিদ আলম।
তিনি জানান জানান,এবছর ঢাকার সিদ্দিক বাজার থেকে সাড়ে সাত হাজার টাকার বীজ ক্রয় করেন। এ দিয়ে ফুলকপির আট হাজার, বাঁধাকপির চার হাজার ও বরকুলের দুই হাজার চারা উৎপাদন করে সেই চারা রোপন করেন। আগামী ১০-১৫ দিনের মধ্যে সেই আগাম জাতের ফুলকপি বাজারজাত করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী। বর্তমানে স্থানীয় বাজারে প্রতি মণ ফুলকপির দাম দেড় হাজার থেকে দুই হাজার টাকা। তারা দেখা দেখিতে
উপজেলার অন্যান্য এলাকার কৃষকরাও ফুলকপি চাষে অগ্রহী হয়ে উঠেছে। উপজেলার বেশিরভাগ চাষীরা বর্তমানে ফুলকপি পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বাজারে দাম ভাল পাবে এমন স্বপ্ন দেখছে তারা । এলাকার চাহিদা মিটিয়ে ফুলকপি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হবে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচাল কৃষিবিদ আব্দুল মান্নান জানান,উপকুলীয় জেলাটির শ্যামনগরে আগাম জাতের সবজি চাষে বেশ সফলতা পাচ্ছে চাষীরা। বিশেষ করে লবণ সহিঞ্চুতা জাতের কপি চাষে চাষীদের উদ্ধুদ্ধ করা হচ্ছে। এবছর আগাম জাতের ফুলকপি চাষে বেশ সফল হয়েছে চাষীরা

Facebook Comments
Please follow and like us: