কালিগঞ্জে সত্তর বছর বয়স্ক সুফিয়ার আকুতিঃ আর কত বয়স হলে বয়স্ক ভাতা পাবো

হাফিজুর রহমান শিমুল কালিগঞ্জ( সাতক্ষীরা) থেকে।

কালিগঞ্জে সত্তর বছর বয়স্ক সুফিয়া বেগম আজও বয়স্ক ভাতা পাননি। কপালে জোটেনি সরকারের অন্যান্য সুবিধাদী। তিনি উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড গনপতি গ্রামের ভূমিহীন হতদরিদ্র মৃত ইউসুফ আলীর স্ত্রী মোছাঃ সুফিয়া বেগম (৭০)। সত্তরোর্ধ এই বৃদ্ধা আক্ষেপ করে বলেন, আমার ভাগ্যে জুটেনি বয়স্ক বা বিধবা ভাতা, ভিজিএফ, ভিজিডিসহ অসহায় মানুষের জন্য দেওয়া সরকারের কোন সুযোগ সুবিধা। বার বার সাহায্য চেয়েও পাইনি। তার পরিবারে বিভিন্ন নির্বাচনে ৩ জন মেম্বর নির্বাচিত হলেও কখনও সুবিধা দেননি বৃদ্ধাকে। মথুরেশপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান গাইনের নিকট জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিনিধিকে বলেন ওনাকে তো ওয়ার্ডের মেম্বর দিবেন। আমি বিষয়টা খোজ নিবো। ইউপি সদস্য শেখ আলাউদ্দীন সোহেলের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন সুফিয়া বেগম বয়স্ক ভাতা সহ সরকারের অনেক সুযোগ সুবিধা পাওয়ার কথা কিন্তু বিগত মেম্বরগন তাকে দেখেননি। আমি এতোমধ্যে তাকে বয়স্ক ভাতা প্রদানের তালিকায় নাম দিয়েছি। সরকারের অনেক সুবিধা আমি তাকে দিয়ে আসছি। এদিকে সুফিয়া বেগম আরও বলেন আমার একটামাত্র পুত্র সন্তান। সে ও দিনমজুর এবং শারিরীক ভাবে অসুস্থ। আমাকে সে খোজ খবর নেয়া ছাড়া কিছুই দিতে পারেনা। আমি চলাচল করতে পারি না, হাতে ভর দিয়ে বসে বসে পথে চলাচল করতে হচ্ছে। বৃহস্পতিবার(৮ নভেম্বর) বিকালে নাজিমগঞ্জ বাজার থেকে ঔষধ নিয়ে ফেরার সময় এসব উক্তি করে বিলাপ করতে করতে আকুতি করতে থাকেন সত্তর উদ্ধো এই বৃদ্ধা। তিনি হাটে বাজারের দোকান মালিক ও পথচারীদের নিকট থেকে কাছে সাহার্য্য নিয়েই জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। অথচ সরকারের নানাবিধ সহায়তা, আশ্রায়ণ ও গৃহয়াণ প্রকল্প, ভাতা বা খাদ্য সহায়তার মাধ্যমে এই হত দরিদ্র মহিলাটির মুখে একটু হাসি ফুটুক এই প্রত্যাশা করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আর্কষণ করেছেন উপজেলা এলাকার সুধিসমাজ।

Facebook Comments
Please follow and like us: