বৃহস্পতিবার , ৯ জুলাই ২০২০

ঈদ এলেও খুশি এল না

।। সামছুল আরেফীন ।।

‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ,

তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে, শোন আসমানী তাগিদ।’

কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী এ গানের মতো খুশির ঈদ এলেও দেশবাসীর মনে নেই খুশি। এবার এক অন্যরকম ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছে মানুষ। ঈদগাহে নামাজ পড়া যাবে না, প্রিয়জনের সাথে ঈদ করতে গ্রামের বাড়ি যাওয়া যাবে না; এমনকি এক উপজেলা থেকে আরেক উপজেলায় ভ্রমণও করা যাবে না। ঈদ কেনাকাটার অবারিত সুযোগও থাকছে না। লকডাউনের এক ভিন্ন আমেজে আমাদের মাঝে এসেছে ঈদুল ফিতর। কোভিড-১৯-এর প্রভাবে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্ব আজ বিধ্বংস্ত, বিপর্যস্ত। লকডাউন তথা গণসমাগম পরিহার করার মধ্যে করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধ সম্ভব বলে আমরা চার দেয়ালের মধ্যে আবদ্ধ করে রেখেছি। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস পাল্টে দিয়েছে এবারের ঈদের চিরচেনা আমেজ। প্রতি মুহূর্তেই সংক্রমিত হচ্ছে অসংখ্য মানুষ। মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে। রাত পার হলেই পরই পবিত্র ঈদুল ফিতর। এ অবস্থায় এবারের ঈদের আনন্দ বিষাদে রূপ নিচ্ছে, তা বলাই যায়। প্রতি বছর এ সময় ঈদের কেনাকাটা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকম প্রস্তুতি থাকে তুঙ্গে। কিন্তু এবারের দৃশ্যপট সম্পূর্ণ বিপরীত।

জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঢাকায় আসা-যাওয়া বন্ধ : মহামারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ঢাকা মহানগরীতে প্রয়োজন ছাড়া কেউ আসতে পারবেন না বা নগরীর বাইরে যেতে পারবেন না। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম শাখা থেকে এ কথা জানানো হয়েছে। ডিএমপি জানিয়েছে, এ পদক্ষেপের অংশ হিসেবে রোববার (১৭ মে) থেকে রাজধানীর প্রবেশ ও বের হওয়ার পথে তল্লাশির ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

যাতে কোনো ব্যক্তি একান্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঢাকা শহরে প্রবেশ বা ঢাকা শহর থেকে বাইরে যেতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই তল্লাশির এ ব্যবস্থা। তবে ডিএমপি বলেছে, জরুরি সেবা ও পণ্য সরবরাহ কাজে নিয়োজিত যানবাহন এ নিয়ন্ত্রণের আওতামুক্ত থাকবে।

ছুটিতে চলাচলে কড়াকড়ি, কর্মস্থল ত্যাগে মানা : দেশে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় ঈদের ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে সাধারণ ছুটির মেয়াদ ৩০ মে পর্যন্ত বাড়ানো হলেও সঙ্গে জুড়ে দেয়া হয়েছে কিছু শর্ত। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা সর্বশেষ আদেশে এ কথা জানানো হয়। আদেশে আগের ছুটির ধারাবাহিকতায় ১৭ থেকে ২৮ মে পর্যন্ত নতুন করে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। ২১ মে শবেকদর, ২২, ২৩ এবং ২৯ ও ৩০ মের সাপ্তাহিক ছুটি এবং ২৪, ২৫ ও ২৬ মে ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটিও এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ছুটিতে কর্মস্থল ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, ঈদের আগে-পরে চলাচলে কড়াকড়ি এবং ঈদ জামাত নিয়েও সতর্কবার্তা এসেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘ছুটির’ এ সময়ে জনসাধারণের চলাচল সীমিত থাকবে। এক জেলা থেকে আরেক জেলা এবং এক উপজেলা থেকে আরেক উপজেলায় জনসাধারণের চলাচল ‘কঠোরভাবে’ নিয়ন্ত্রিত থাকবে? জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা ‘সতর্কভাবে’ বাস্তবায়ন করবে। উক্ত সময়ে সড়কপথে গণপরিবহন, যাত্রীবাহী নৌযান ও রেল চলাচল এবং অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান চলাচল বন্ধ থাকবে এবং মহাসড়কে মালবাহী-জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন ব্যতীত অন্যান্য যানবাহন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ঈদের আগের চার দিন, ঈদের দিন এবং ঈদের পরের দুই দিন মিলিয়ে মোট সাত দিন প্রাইভেট কারসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করতে দেয়া হবে না বলে আগেই জানিয়েছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন? সাধারণ ছুটি-চলাচলে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে কর্মস্থল ত্যাগের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। যে যেখানে আছেন, সেখানে থেকেই এ বছর ঈদ উদযাপন করতে বলা হয়েছে।

ঈদ সামনে রেখে দোকানপাটে বেচাকেনার সময় পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। শপিংমলের প্রবেশমুখে হাত ধোয়া ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার করার ব্যবস্থা রাখতে হবে। শপিংমলে আসা যানবাহন অবশ্যই জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা রাখতে হবে? দোকানপাট এবং শপিংমল বিকাল ৪টার মধ্যে অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। প্রথম দফায় গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব অফিস-আদালত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই সঙ্গে সারা দেশে সব ধরনের যানবাহন চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। এরপর সেই ছুটির মেয়াদ কয়েক দফায় বাড়িয়ে ১৬ মে পর্যন্ত করা হয়। তবে এর মধ্যে কিছু বিধিনিষেধ তুলে দেয়া হয়। ঘর থেকে বের হওয়ার সময় ২ ঘণ্টা বাড়ানোর পাশাপাশি বিপণিবিতান ও দোকানপাট খোলার অনুমতি দেয়া হয়। সেই সঙ্গে চালু হয় পোশাক কারখানা, বাইরে থেকে মসজিদে গিয়ে জামাতে নামাজও পড়া যাচ্ছে এখন। তবে বন্ধ রয়েছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

তবুও ঘরমুখী মানুষ : সম্প্রতি দেশব্যাপী চলমান সাধারণ ছুটি শিথিল করে দেয়ায় করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী ঢাকায় ফেরেন অসংখ্য মানুষ। ফলে ভাইরাসটির সংক্রমণ কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। এখন ঈদের বন্ধ পড়ায় শত দুর্ভোগ উপেক্ষা করেই ফের রাজধানী ছাড়ছেন মানুষ। শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে বেড়েছে দক্ষিণাঞ্চলের ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় পায়ে হেঁটে কিংবা বাড়তি ভাড়া দিয়ে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকে চড়ে পাড়ি দিচ্ছেন লম্বা পথ। তাছাড়া লঞ্চ-স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ফেরিতে গাদাগাদি করে পারাপার হচ্ছেন যাত্রীরা। কারোর হয়তো জরুরি প্রয়োজনে যেতে হচ্ছে, আবার কারো ঈদের ছুটি পড়ায়। তাই মরণব্যাধী করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিকে পাত্তা দিচ্ছেন না তারা। কেউই সঠিকভাবে স্বাস্থ্যবিধি এবং সামাজিক দূরত্ব মানছেন না। অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে মোটরসাইকেলযোগে নিজ নিজ গন্তব্যে ছুটছেন। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নারী, বৃদ্ধ ও শিশুরা।

এবার ঈদগাহ বা খোলা জায়গায় ঈদ জামাত নয় : করোনা মহামারির মধ্যে এবার রোজার ঈদের দিন ঈদগাহ বা খোলা জায়গার বদলে বাড়ির কাছে মসজিদে ঈদের নামাজ পড়তে হবে। সেই সঙ্গে মসজিদে ঈদ জামাত আয়োজনের ক্ষেত্রে সুরক্ষার ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বেশকিছু শর্ত দিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয় বলেছে, এসব নির্দেশনা না মানলে ‘আইনগত ব্যবস্থা’ নেয়া হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইসলামী শরীয়তে ঈদগাহ বা খোলা জায়গায় ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়তে উৎসাহ দেয়া হয়েছে। ‘কিন্তু বর্তমানে সারা বিশ্বসহ আমাদের দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতিজনিত ওজরের কারণে মুসলিমদের জীবন ঝুঁকি বিবেচনা করে এ বছর ঈদগাহ বা খোলা জায়গার পরিবর্তে ঈদের নামাজের জামাত নিকটস্থ মসজিদে আদায় করার জন্য অনুরোধ করা হলো।’

করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর গত ৬ এপ্রিল দেশের সব মসজিদে বাইরে থেকে মুসল্লি ঢোকার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ মসজিদের খাদেমরা মিলে মোট কতজন ভেতরে জামাতে অংশ নিতে পারবেন, তার সীমা বেঁধে দেয়া হয়। রোজার শুরুতে তারাবির নামাজের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশনা দেয়া হয়। এক মাসের মাথায় গত ৬ মে থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে আবার জামাতে নামাজ পড়ার অনুমতি দেয়া হয়। সে সময় মসজিদের নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মানার যে শর্তগুলো দেয়া হয়েছিল, সেগুলো ঈদের জামাতের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। যেহেতু এবার ঈদগাহে যেতে নিষেধ করা হচ্ছে, সেহেতু এবার একই মসজিদে একাধিক ঈদের জামাত হবে বলে জানানো হয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে।

ঈদ কেনাকাটায়ও ভিড় : করোনাঝুঁকির মধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দোকানপাট, মার্কেট, শপিংমল খুলে দেয়া হয়েছে। দোকানপাটসহ সর্বত্র মানুষের ভিড় বাড়ছে; কিন্তু করোনা সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব কেউ মানছে না। নিয়ম না মেনে জনসমাগম করায় করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রাজধানীর বড় মার্কেটগুলো বন্ধ থাকলেও যেসব মার্কেট খোলা হয়েছে কোনো মার্কেটেই ক্রেতা-বিক্রতা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। শুরুর দিকে ক্রেতা কম থাকায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা সম্ভব হয়েছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, মানুষের ভিড় তত বাড়ছে। যেভাবে বাজার মনিটরিং করার কথা ছিল, তা করা হচ্ছে না। প্রতিদিন মার্কেটগুলোয় হাজার হাজার লোক ভিড় করছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এত লোক মার্কেটে প্রবেশ করতে হলে ২৪ ঘণ্টায়ও তারা প্রবেশ করতে পারবে না। মার্কেট কর্তৃপক্ষ শুধু মাইকে বলছে, হাত ধুয়ে প্রবেশ করুন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালুন। ভিড় এড়িয়ে চলুন। করোনা থেকে নিজে বাঁচুন, অন্যকে বাঁচান।

পোস্তগোলা জুরাইন এলাকার মার্কেটগুলোয়ও স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে বিভিন্ন মার্কেট খোলা রাখায় এবং জনসমাগম আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় দোকানপাট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে ফাঁকে ফাঁকে দোকান খোলছে। রাজধানীর বঙ্গবাজার চালু হওয়ার পর বন্ধ করে দেয়া হয়। জেলা পর্যায়ে অধিকাংশ মার্কেটই বন্ধ রয়েছে। প্রতি বছর এ সময় ঈদের কেনাকাটা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকম প্রস্তুতি থাকে তুঙ্গে। কিন্তু এবারের দৃশ্যপট সম্পূর্ণ বিপরীত। গণবিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসি বিভাগের শিক্ষার্থী খাদিজা আক্তার সেতু বলেন, ঈদ আছে এবং ঈদের আনন্দও আছে। তবে এবারের ঈদ ঘরোয়াভাবে উদযাপন করা হবে। এবার কোনো কেনাকাটা হবে না। শপিংয়ের টাকা দিয়ে ত্রাণ দিয়েছি। ঈদের আগে আরো কিছু ত্রাণ দেব। ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ষষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী সানি প্রীতম বলেন, এবারের ঈদের দিন হয়তো অন্য ঈদের মতো হবে না। এরপরও যতটুকু করা যায়, উপভোগ করব। আশপাশের মানুষ ভালো আছে কি না, খেয়াল রাখব। আইন বিভাগের প্রথম সেমিস্টারে পড়াশোনা করেন আঞ্জিলা আক্তার। তিনি বলেন, এক ভাইরাসের কারণে এবারের ঈদের চিত্র বদলে গেছে। বিশ্বে একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এটা প্রাণঘাতী ব্যাধি সহজেই ছড়িয়ে পড়ছে। তাই আমার ঈদ পরিকল্পনা ঘরে থাকব, সুস্থ থাকব, অন্যকে নিরাপদ রাখব। আমি যেন কারো দ্বারা রোগাক্রান্ত না হই এবং কেউ যেন আমার দ্বারা রোগাক্রান্ত না হয়Ñ এদিকে খেয়াল রাখব। প্রার্থনা করি, এই ঈদ যেন আর না আসে!

করোনায় অনলাইনে ঈদ শপিং! : করোনা সঙ্কটেও থেমে নেই অনলাইনে ঈদের শপিং। ঈদ করতে হবে ঘরেই। তাই নিজের আনন্দ পরিবারের সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে অনলাইনমুখী হচ্ছেন ক্রেতারা। ঘরে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে ই-কমার্স সাইট, ফেসবুক শপ থেকে নানা পণ্য কিনছেন তারা। ঈদ উপলক্ষে এ সুযোগ অনলাইন কেনাকাটাকে আরো জনপ্রিয় করে তুলছে। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে অনলাইনে নানা ছাড় ও উপহার ঘোষণা দিয়েছে বিভিন্ন ই-কমার্স ও এফ-কমার্স সাইট। অনলাইন পেমেন্টের পাশাপাশি ‘ক্যাশ অন ডেলিভারি’ সুবিধার সঙ্গে রয়েছে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ডেলিভারির ব্যবস্থা। ঈদ সামনে রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গত ১৭ মে রোববার থেকে ভিন্ন আঙ্গিকে খুলেছে দেশের অন্যতম প্রধান ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ংয়ের আউটলেট। এসব আউটলেটে পণ্য কেনার সুযোগ পেতে আগে অনলাইনে নিবন্ধন করতে হচ্ছে। তাদের ২১টি আউটলেটের মধ্যে ১৪টি খুলছে। অনলাইনে নিবন্ধন করা ক্রেতারা ১ ঘণ্টার জন্য আউটলেটে গিয়ে কেনার সুযোগ পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ। এবার আড়ংয়ের কোনো পণ্য ট্রায়াল করার সুযোগ থাকছে না এবং পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ক্রয়কৃত পণ্য পরিবর্তন করা যাবে না।

About ক্রাইমবার্তা ডটকম

Check Also

গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগে ২৬১ জন করোনা রোগী শনাক্ত: সাতক্ষীরায় আরো ২৪ জনসহ ৩০৩ জন করোনা শনাক্ত: মৃত্যু ৫: জেলায় সুস্থ ৭৩ জন

ক্রাইমর্বাতা রিপোট: খুলনা ব্যুরো প্রধান:   খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ২৬১ জন কোভিড রোগী …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *