ক্রাইমবার্তা রিপোট:দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) সংবাদদাতা:চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় হোটেলে সুমন (১২) নামের এক শিশু শ্রমিককে পিটিয়ে হাত ভেঙ্গে দেয়ার পাশাপাশি জখম করেছে হোটেলের দুই কর্মচারী। পুলিশ আহত শিশু শ্রমিককে উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। এ ঘানায় পুলিশ হোটেল মালিক মজিদ (৫০) ও মহিলা শ্রমিক মোমেনা খাতুনকে (৪০) আটক করেছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ২টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলা শহরের বাস স্ট্যান্ডের ভাতঘর নামক হোটেলে ওই ঘটনা ঘটে
আহত সুমনের মা লাকি খাতুন সন্ধ্যায় হোটেল মালিকসহ তিনজনের নামে মামলা করেন।
ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, আজ বেলা ২টার দিকে সুমন হোটেলের থালাবাটি ধোয়ার কাজ করছিল। এ সময় হোটেলের অপর কর্মচারী আবু বকর তাকে পানি আনতে বলে। এতে দেরি হওয়ায় হোটেল মালিক আ. মজিদের সামনেই তাকে চুলা থেকে জ্বলন্ত চলাকাঠ বের করে পেটাতে শুরু করেন।
আঘাতে শিশু শ্রমিক সুমন মাটিতে লুটিয়ে পড়লে কার বুকে ও মুখে লাথি মারা হয়। এ সময় ওই সুমনের নাক-মুখ দিয়ে গলগল করে রক্ত বের হতে থাকে। শিশু শ্রমিক সুমন যন্ত্রণায় ছটফট করলেও হোটেল মালিক তার দিকে ফিরেও তাকায়নি।
পরে ঘটনাটি জানতে পেরে দামুড়হুদা থানা পুলিশ হোটেল থেকে ওই শিশু শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক লাইলা শবনম শারমিন জানান, ‘ওই শিশু শ্রমিকের বাম হাতের কব্জির উপর থেকে ভেঙ্গে গেছে। এ ছাড়া আগুনের তাপে কিছু অংশ পুড়েও গেছে। তবে সে এখন আশঙ্কামুক্ত।’
দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি আবু জিহাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনাটি জানার সাথে সাথে আহত শিশু শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। হোটেল মালিকসহ দু’জনকে আটক করা হয়েছে।’