নিজস্ব প্রতিনিধি: শহরে প্রবেশ করলেই যেকোনো ব্যক্তি চলে আসবেন নজরদারিতে। শহরের যেখানেই অবস্থান করুক না কেনো তার গতিবিধি রেকর্ড হবে ভিডিও ফুটেজে। শহর না ছাড়া পর্যন্ত থাকবেন পুলিশের নজরদারিতে। গোটা শহরকে আনা হচ্ছে নিরাপত্তা বলয়ে। এজন্য শহরে বসানো হচ্ছে আপাতত ১২৫টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা। তবে পর্যায়ক্রমে ৩০০ ক্যামেরা বসানো হবে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে। এর ফলে শহরে অপরাধমূলক কর্মকান্ড নির্মূল হবে বলে আশা করছেন কর্তৃপক্ষ। এছাড়া অপরাধ ও অপরাধী সনাক্তকরণে এ প্রযুক্তি বাতিঘর হিসেবে কাজ করবে। নাইট ভিশন এ ক্যামেরা কাজ করবে ২৪ ঘন্টা। সংযোগ দিলেই শুরু হবে কার্যক্রম।
গত ১১ ফেব্রুয়ারি জেলা পুলিশ ও পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে পৌর এলাকার নিরাপত্তায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্বোধন করা হয়। রাজধানী ঢাকার ট্রেড এ্যাম্পায়ারের ডিরেক্টর শামিম হাসনাইনের দেয়া তথ্য মতে সাধারণ মানুষের জান ও মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কার্যক্রম চালু হবার পর থেকে কোনো অপরাধীকে শহরে অপরাধ করে পালিয়ে যাবার সুযোগ থাকবে না।
পুলিশ সুপার বলেন, সাধারণ মানুষকে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করার সুযোগ দিতে চাই। তারই ধারাবাহিকতায় টেকনোলজির সহায়তা নিয়ে জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন করা এবং অপরাধী সনাক্ত করার জন্য এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মেয়র তাজকিন আহম্মেদ চিশতি জানান, সাতক্ষীরা পৌরসভায় ২৫০-৩০০ ক্যামেরা বসানো হবে তবে প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা ১২৫টি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। একজন ব্যক্তি পৌরসভায় প্রবেশ করলে বাহির হওয়া পর্যন্ত প্রত্যেক মুহূর্ত রেকর্ড করা হবে। সংযোগ দিলেই কার্যক্রম শুরু হবে। ক্যামেরাগুলোর কার্যক্রম সার্বক্ষণিক মনিটরিং করার জন্য পুলিশ সুপারের দ্বিতীয় তলায় ১৬টি মনিটরসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম প্রস্তুত করা হচ্ছে। তবে ক্যামেরা বৃদ্ধির সাথে সাথে মনিটরের সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হবে। এদিকে গোটা শহরকে নিরাপত্তার বলয়ে আনার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে শহরবাসি। বিশেষ করে ব্যবসায়ি ও সাধারণ মানুষ অপেক্ষার প্রহর গুণছেন কখন দেয়া হবে সেই কাক্সিক্ষত সংযোগ।
Check Also
বিএনপি নেতাকর্মীদের জড়িয়ে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন
দেবহাটা প্রতিনিধি: স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার দোসর এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যুদের গ্রেফতার এবং বিএনপির …