ক্রাইমবার্তা রিপোট: সাতক্ষীরা : জামায়াত সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সাতক্ষীরা টিএনসি নামক একটি স্বাস্থ্য সংস্থার শাখার পরিচালক ও তার স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার রাত দেড়টার দিকে শহরের মুন্সিপাড়াস্থ ভাড়া বাড়ি থেকে তাদেকে আটক
বোন ও ভগ্নিপতি ও এক ভাইকে পুলিশ আটক করে নিয়ে গেছে। এসময় অপর দুই বোন ও এক ভগ্নিপতি বাড়িতে ছিল। এক বোন সন্তান প্রস্তবের অপেক্ষা ও অপর বোন এবার ফাজিল পরীক্ষা দিচ্ছে। এক বোন মারাক্ত অসুস্থ । ডাক্তারি কাগজপত্র দেখানোর কারণে পুলিশ তাদেরকে রেখে আসে। এসময় পুলিশ তাদের ব্যবহৃত ৬টি মোবাইল,একটি কম্পিউটার,একটি ল্যাপটব ও নগত ২৫ থেকে ৩০ হাজার পরিমানে টাকা নিয়ে যায়। তবে পুলিশের দাবী সাতক্ষীরায় গোপন বৈঠক করার সময় সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র শিবির ও মহিলা ছাত্র শিবিরের সভাপতিকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এসময় সেখান থেকে বিপুল পরিমান জিহাদী বই, লিফলেট, কাফনের কাপড়, হ্যান্ডবিল, সরকার পতনের বই উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার ভোর রাতে সাতক্ষীরা মুন্সিপাড়াস্থ জেলা জামায়াতের অফিস সংলগ্ন মনজির আহমেদ নুরের বাসা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও মহিলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি সাদিয়া সুলতানা ও শিবির সভাপতির শ্যালক একরামুল ইসলাম। সাতক্ষীরা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক তদন্ত শাহরিয়ার হাসান জানান, সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি জাহিদ ও মহিলা ছাত্রী শিবিরের সভাপতি সাদিয়া সুলতানা গত চার বছর আগে স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে মুনসিপাড়াস্থ মনজির আহমেদের বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে। ছাত্র শিবিরের গোপন বৈঠক হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সেখান থেকে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি ও মহিলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি ও তার শ্যালককে আটক করা হয়। এবং সেখান থেকে বিপুল পরিমান জিহাদী বই ও লিফলেট উদ্ধার করা হয়।তিনি আরও বলেন,তারা উক্ত বাসাটি ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন সরকার পতনের কাজ করছিল। তবে জাহিদ এক সময় শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল বলে জানা যায়। -করা হয়। আটককৃতরা হলেন জাহিদুল ইসলাম,তার স্ত্রী সাদিয়া সুলতানা ও একরামুল ইসলাম। সাদিয়া সুলতানার ভাই নাজমুল ইসলাম জানান, তার