ক্রাইমর্বাতা রিপোট: সাতক্ষীরা : আজ সকালে জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল তার অফিস কক্ষে সাতক্ষীরা জেলার চিংড়ি চাষী এবং প্রবীণ ব্যক্তিদের সাথে আলোচনা সভা করেন। করোনা পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে চিংড়ি খাত ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়ে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথা বলেন জেলা প্রশাসক। সাতক্ষীরাতে ৮৬ হাজার হেক্টর জমিতে চিংড়ি চাষ হয় এবং ১ লক্ষ ৪২ হাজার টন মাছ উৎপন্ন হয় যার মধ্যে ৩ থেকে ৪ হাজার মেঃ টন বাগদা চিংড়ি এবং ৮০০ থেকে ৯০০ মেঃ গলদা চিংড়ি। এই শিল্পের সাথে প্রায় ৬৭ হাজার কৃষক এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে প্রায় ২.২০ লক্ষ মানুষ জড়িত। এই মুহূর্তে উৎপাদিত চিংড়ি স্থানীয়ভাবে এবং দেশের অভ্যন্তরে কীভাবে বাজারজাত করা যায় এবং বাকি চিংড়ি সংরক্ষণ করা যায় সেবিষয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া সকল চিংড়ি চাষীর ডাটাবেস করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আগামীকাল এ বিষয়ে আরও একটি সভা করে চূড়ান্ত সুপারিশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হবে।
জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ত্রাণ মনিটরিং কমিটি গঠন প্রক্রিয়া চলমান আছে। গতকাল সাতক্ষীরার তালা উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে “তালা উপজেলায় করোনা প্রতিরোধে ত্রাণ, স্বাস্থ্যসেবা এবং সামাজিক দূরত্ব বিষয়ক” মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক, এস এম মোস্তফা কামাল সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি), ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ এবং দুই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় করোনা প্রতিরোধে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উপজেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন অবনতি না ঘটে এবং কোন গুজব যেন সৃষ্টি না হয় সে ব্যাপারে জেলা প্রশাসক সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেন। ত্রাণ বিতরণে কোন অনিয়ম, দুর্নীতি ঘটলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সবাইকে সাবধান করেন। চিকিৎসকদের পাশে সব সময় আছেন বলে জানান জেলা প্রশাসক। জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে স্থানীয় তহবিল গঠন করতে বলেন। জেলা পুলিশ, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছ্বাসেবী সংগঠন এবং এনজিও সহ সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান জেলা প্রশাসক।