কলারোয়া দমদমা হাইস্কুলের ল্যাবসহকারীর দেড় বছরের জেল

জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে মারপিটের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে এক ব্যক্তিকে দেড় বছর সশ্রম কারাদ-, এক হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদ- দেওয়া হয়েছে। সোমবার সাতক্ষীরা জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তৃতীয় আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান এ আদেশ দেন। এ সময় আসামী কাঠগোড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামীর নাম আমিনুর রহমান। তিনি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার পাঁচনল গ্রামের মাহাবুবর রহমানের ছেলে ও দমদমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ল্যাব সহকারি।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ৯৪ শতক জমি নিয়ে কলারোয়া উপজেলার পাঁচনল গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে আতাউর রহমাননের সঙ্গে একই গ্রামের আমিনুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে ২০১৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বচসার একপর্যায়ে আমিনুর রহমান, রহিম মোড়ল, মাহাবুবর রহমান খায়রুন্নেছা, তাসলিমা, পাপিয়া ও লুৎফুন্নেছা প্রতিপক্ষ আতাউর রহমান, তার ভাই মোখলেছুর রহমান ও তাদের মাকে পিটিয়ে জখম করে।
তাদেরকে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় আতাউর রহমান বাদি হয়ে ওই বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি আমিনুর রহমানসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে কলারোয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা কলারোয়া থানার উপপরিদর্শক মোঃ আসাদুজ্জামান ওই বছরের ৬ অক্টোবর এজাহারভুক্ত আসামীদের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলায় সাত জনের সাক্ষ্য ও জবানবন্দি ও কাগজপত্র পর্যালোচনা শেষে আসামী আমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তৃতীয় আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান আমিনুর রহমানকে উপরোক্ত কারাদ-াদেশ দেন।
আসামী পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. আসাদুজ্জামান দিলু বলেন, পূর্ণাঙ্গ রায় এর কপি পাওয়ার পর তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. হুমায়ুন কবীর ও আসাদুর রহমান বাবু।
অ্যাড. আসাদুর রহমান বাবু আদালতের রায় এর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

About news-admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *