গত ২৬ আগস্টে ঘটা ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের কারণে বর্তমানে দেশটিতে চরম মানবিক সংকট চলছে।

নেপালি কর্মকর্তারা সোমবার (৩১ আগস্ট) জানান, কাদা, পাথর ও ধ্বংসাবশেষে বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রায় এক ডজন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ খুলে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানোই এখন তাদের প্রধান অগ্রাধিকার।

দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বুধবার নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসে বরফ, পাথর, কাদা ও ধ্বংসাবশেষের প্রবল স্রোত নেমে আসে। এতে নেপালে এ পর্যন্ত ৯০৩ জন নিহত এবং ৪ হাজার ২৪৭ জন নিখোঁজ হয়েছেন।

সীমান্তের ওপারে চীনের তিব্বত অঞ্চলও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চীনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সেখানে অন্তত ১৬ জন নিহত এবং ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন।নেপালের উদ্ধারকারী দলগুলোর প্রকাশ করা ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, রাতের অন্ধকারেও আলোর ব্যবস্থা করে মাটি কাটার যন্ত্র দিয়ে সুড়ঙ্গের মুখ থেকে কাদা ও পাথরের স্তূপ সরানো হচ্ছে। সেনারা টর্চের আলো ব্যবহার করে বড় গর্ত তৈরি করে সুড়ঙ্গে প্রবেশের পথ খুঁজছেন।নেপাল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজা রাম বাসনেট রয়টার্সকে বলেন, বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ জমে যাওয়ায় সুড়ঙ্গগুলো খুলে দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, সুড়ঙ্গগুলো খুলে দেওয়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য এদিকে, জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ৯৩৩ জন শ্রমিকের পাশাপাশি ট্রাক ও কনটেইনার অ্যাসোসিয়েশনের প্রায় ৫০০ কর্মীও নিখোঁজ রয়েছেন।