সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা কুদরাতে খোদার পিঠের চামড়া তুলে নেয়ার হুশিয়ারি দিলেন আ’লীগ নেতা আব্দুস সামাদ গাজী
ক্রাইমবাতা রিপোট”
সাতক্ষীরায় আওয়ামী কালচারাল ফ্যাসিজমের উদ্যোক্তা,পুরোনো ফ্যাসিস্টের আইকন, কথিত জেলা ভূমিহীন সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ গাজী সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা কুদরাতে খোদাকে পিঠের চামড়া তুলে নেয়ার হুশিয়ারি দিলেন। আজ মেডিকেলের সামলে আওয়ামী পন্থি সংখ্যা লঘুদের নিয়ে এক সমাবেশে এসব কথা বলে। সূত্র জানায় সাতক্ষীরা জেলা ভূমিহীন সমিতি জেলা আ;লীর সম্পাদক আবু আহম্মেদের একটি প্রতিষ্ঠান। বিগত বছর গুলোতে তিনি এই সমিতির নামে রাজ পথে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। আল্লামা দেলওয়ার হোসেন সাইদীসহ সকল আলেম ওলামাদের ফাশির রায়কাযকরে দাবীতে রাজপথে ছিলৈন আব্দুস সামাদ গাজী। তার নেতৃত্বে আওয়ামীলের কালচারাল ফ্যাসিজমেরসহল প্রোগ্রামে সাতক্ষীরার রাজপথে থেকে বিএনপি ও জামায়াতের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতো এই আব্দুস সামাদ গাজী। তিনি বতমানে সাতক্ষীরা সদর থানার দক্ষিণ পাশে জামা কাপড় আয়রনের কাজ করেন। বোকি সময়টা আওয়ামী প্রতিষ্ঠার কাজ করে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় সাতক্ষীরার ৫০০ শয্যা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সাতক্ষীরা জেলা ভূমিহীন সমিতির সভাপতি কউসার আলীর সভাপতিত্বে সমাবেশ পরিচালনা করেন নদী, বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান। সমাবেশে বক্তব্য দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম রেজাউল করিম রেজা, সহসভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান, মহিলা নেত্রী নাজমা আক্তার নদী এবং ভূমিহীন নেতা রেজাউল ইসলাম প্রমুখ ।
বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে জেলার সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ভূমিহীনদেরও অবদান ছিল। তাঁদের দাবি, বর্তমানে ভূমিহীন ও দরিদ্র মানুষ হাসপাতাল থেকে প্রত্যাশিত চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন না।
সমাবেশে বক্তারা হাসপাতালের সেবাব্যবস্থায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বলেন, এর প্রভাব পড়ছে সাধারণ রোগীদের ওপর। বিশেষ করে ভূমিহীনদের জন্য বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে না বলেও তাঁরা দাবি করেন। হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়ন, অনিয়ম-দুর্নীতি রোধ এবং দরিদ্র মানুষের জন্য বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বক্তারা আরও বলেন, হাসপাতালের পরিচালক নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকলে প্রশাসনিক তদারকি আরও কার্যকর হবে এবং সেবার মান উন্নত হবে।এসময় মানববন্ধনে সংগঠনের নেতা-কর্মী, সদস্য এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
ক্রাইম বার্তা