কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের ইব্রাহিম খলিল মুজাহিদকে বেধড়ক মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী।
সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে ইব্রাহিম খলিল মুজাহিদকে মারধরের দৃশ্যের পাশাপাশি তাকে ‘জামায়াত কর্মী’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর মোঃ সাবুর আলী ও সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ ফিরোজ আহমেদ এক প্রতিবাদী ভিডিও বার্তায় এ ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা দাবি করেন, ইব্রাহিম খলিল মুজাহিদ জামায়াতে ইসলামীর কোনো কর্মী বা জনশক্তি নন। তাকে জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে ভিডিও প্রচার করা অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিভ্রান্তিকর।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইব্রাহিম খলিল মুজাহিদ গতকাল আদালতের মাধ্যমে এক তরুণীকে বিয়ে করেছেন বলে জানা গেছে। বিয়ের পর প্রথম পক্ষের শ্বশুরের হাতে তার মারধরের অভিযোগ ওঠে। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাকে মারধরের সময় ‘আর বিয়ে করবি?’—এমন কথা বলতে শোনা যায় বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, প্রথম পক্ষের স্ত্রীর সঙ্গে ইব্রাহিম খলিলের দীর্ঘদিন ধরে বনিবনা হচ্ছিল না। এ নিয়ে একাধিকবার সালিশ-বিচারও হয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি এবং মারধরের ঘটনার বিস্তারিত কারণ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা চলছে।
ক্রাইম বার্তা