জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে, জামায়াত নেতা ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র

স্টাফরিপোটার: সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী ও পৌরমেয়র প্রার্থী প্রভাষক ওমর ফারুকের জনপ্রিয়তায় ইশ্বান্বিত হয়ে সুরাইয়া খাতুন নামে এক মহিল তার বিরুদ্ধে অপবাদ ছড়াছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সত্যতা জানতে ৩০ জুন বৃহস্পতিবর বিকেলে ঘটনা স্থল পৌরসভার পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকার নাথপাড়া এলাকায় যান জেলায় কর্মরত গণমাধ্যম কমীরা।

প্রকৃত ঘটনা জানতে কথা হয় স্থানীয়দের সাথে। মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ওমর ফারুক এক জন ভাল মাসুষ। সৎজন। সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব। তিনি জামায়াতের পৌরসভার মেয়র প্রাথী। তাই পরিকল্পিত ভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে তার বিরুদ্ধে এ ধরনের ষড়যন্ত্র। তিনি বলেন এসব মানুষ বিশ্বাস করে না।
প্রকৃত ঘটনা হলো সম্প্রতি সাতক্ষীরা পৌরসভার পক্ষ থেকে জনসাধনের চলাচলের জন্য নাথপাড়া এলাকায় ১০ ফিট একটি কাঁচা রাস্তায় ইট বসিয়ে পাঁকা করেন সাতক্ষীরা পৌরসভা। পারিবারিক রাস্তায় কেন পৌরসভা পাকা করলো এমন অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেন এস, এম, শরিফুল আলম ও তার স্ত্রী সুরাইয়া খাতুন। সংবাদ সম্মেলনে তারা দাবী করেন তাদের পারিবারিক রাস্তায় জোর করে পৌরসভা ইট বসিয়েছে। ওমর ফারুকের প্রোরোচনায় পৌরসভা এ কাজটি করেছে।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা পৌরসভার সিও জানান, সরকার বিধি মোতাবে স্থানীয়রা রাস্তাটি পাকা করনের জন্য ১০ ফিট রাস্তার জনস্বার্থে চলাচলের জন্য সাতক্ষীরা পৌরসভাকে দেয়। পৌরসভা কাগজ পত্র যাচায় বাছা, ঘটনা স্থল পরিদর্শনসহ স্থানীয়দের সাথে কথা বলে রাস্তাটি পাকা করে দেয়। এ খানে আইনের কোন ব্যর্তয় ঘটেনি।
ওমর ফারুক জানান, ইফতা ইাউজিং এর পক্ষে স্থানীয় শফিকুল ও তার ভাই শরিফুল আলমের কাছ ৫৯ শতক জমি ক্রয় করেন। পরে রাস্তা বাবদ
প্রথম দফায় ৬ ফিট ও দ্বিতীয় দফায় ৪ ফিটসহ মোট ১০ ফিট তাদের নিজ নামীয় জমি থেকে তারা ক্রয় করে। ক্রয়কৃত রাস্তার শেষ প্রান্তে ওমর ফারুক গংদের ক্রয়কৃত জমি। এছাড়া একই সময়ে উল্লিখিত রাস্তাটি বাবদ অনেকের কাছ থেকে শরিফুল ইসলাম টাকা আদায় করেছে।
এ বিষয়ে এস, এম, শরিফুল আলম ও তার স্ত্রী সুরাইয়া খাতুনের শরীক আসাদুল ও তার ভাই আরিফ বলেন, রাস্তাটি জনসাধনের চলাচলের জন্য ১০ ফিট উন্মক্ত রাখা হয়েছে। রাস্তাটি এখন কারোর ব্যক্তিগত সম্পদ নয়। এই রাস্তায় তাদের ও জমি দেয়া আছে। কিন্তুএম, শরিফুল আলম ও তার স্ত্রী সুরাইয়া খাতুন অতি লোভের কারনে একই রাস্তা বাব বার বিক্রি করে কথা বলে টাকা তোলে। কোন ভ্যান বা টলি আসলে হয়রানি করে। এমন কি প্রভাষক ওমর ফারুকের মত এক জন ভাল মানুষের কারনে আমরা অনেক উপকৃত হচ্ছি। তবে রাজ নৈতিক কারণে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে বলে তাদের দাবী।
সাতক্ষীরা সাবরেষ্ট্রি অফিস সূত্রে জানাযায়, ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে সম্পাদিত পারিবারিক রেজিস্ট্রি বণ্টননামা অনুযায়ী মো. শরিফুল আলম মনু সাবেক দাগ নং ২০৪৯ ও হাল দাগ নং ৬৩৫২-এর ২৫.৬০ শতক জমির একক মালিক হন। পরবর্তীতে তিনি নিজের সম্পত্তি থেকে ইফতা হাউজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে ৫.৮৪ শতক জমি বিক্রয়ের চুক্তি করেন। ওই বিক্রয়ের অংশ হিসেবে ২০১৬ সালের ১৯ এপ্রিল নিবন্ধিত ২৭৮১ নম্বর দলিলের মাধ্যমে ৬ ফুট এবং বিক্রিত অংশ থেকে আরও ৪ ফুটসহ মোট ১০ ফুট প্রশস্ত ও ২৬৭ ফুট দীর্ঘ রাস্তা হস্তান্তর করা হয়।একই বছরের ১৯ জুলাই ৪৯৫৪ নম্বর দলিলের মাধ্যমে শরিফুল আলম মনু খোরশেদ আলম গং-এর নামে ৪.১২ শতক জমি বিক্রয় করেন। ওই দলিলেও ১০ ফুট রাস্তার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।
এদিকে এস, এম, শরিফুল আলম ও তার স্ত্রী সুরাইয়া খাতুন দাস্তা দখল ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ এসে সাতক্ষীরা সদর থানাতে গতকাল একটি সাধারণ ডাইরি করেছে।

About news-admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *