সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় অস্থায়ী ভিত্তিতে সার ডিলার নিয়োগের সুপারিশ ও অনুমোদন ঘিরে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি এবং রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনার অভিযোগ উঠেছে। বঞ্চিত কয়েকজন ব্যবসায়ী ও বিএনপির নেতাকর্মীদের একাংশের অভিযোগ, প্রকৃত ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে ডিলার নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। তালিকায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতিসহ বিএনপির ১১ জন এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তির নাম রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্ত। তিনি বলেছেন, সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করেই সার ডিলার নিয়োগের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা কার্যালয়ের ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের একটি স্মারকের পরিপ্রেক্ষিতে ৬ অক্টোবর সার ডিলার নিয়োগের পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা জারি করা হয়। নথি অনুযায়ী, জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সার ডিলার সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা কমিটি আবেদনকারীদের অনুমোদন দিয়েছে। নিয়োগগুলো অস্থায়ী ভিত্তিতে এবং নির্ধারিত শর্ত প্রতিপালন সাপেক্ষে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।
প্রাপ্ত নথিতে সাতক্ষীরা পৌরসভা এবং সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মোট ১৩টি স্থানে সার ডিলার নিয়োগের তথ্য পাওয়া গেছে। তালিকায় সাতক্ষীরা পৌরসভায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি অর্থ্য ইন্টারন্যাশনাল, বাঁশদহ ইউনিয়নে মেসার্স রানা ট্রেডার্স, কুশখালীতে মেসার্স বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজ, বৈকারীতে ভাই বোন ট্রেডার্স এবং ঘোনায় মেসার্স বিশ্বাস ট্রেডার্সের নাম রয়েছে। এ ছাড়া শিবপুর ইউনিয়নে মেসার্স নজরুল ট্রেডার্স, চোমরায় মেসার্স তামিম ট্রেডার্স, আলিপুরে মেসার্স জেনিত এন্টারপ্রাইজ, খুলিহরে ফোরটি ইন্টারন্যাশনাল, ব্রহ্মরাজপুরে মেসার্স হাসান ট্রেডার্স, আগরদাঁড়ীতে সরদার ট্রেডার্স, ঝাউডাঙ্গায় বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজ এবং খুলিহর এলাকায় দাইয়ান ট্রেডার্সের নাম উল্লেখ রয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, অনুমোদিত তালিকায় রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তাঁদের ভাষ্য, প্রকৃত ব্যবসায়ী এবং বিএনপির কিছু নেতাকর্মী ডিলারশিপ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
সদর উপজেলার আগরদাঁড়ী ইউনিয়নের রেজাউল ইসলাম সার ডিলারশিপ পেয়েছেন—এমন তথ্য ও নথির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে তাঁকে আগরদাঁড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করেই সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়নি।
স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের একটি অংশের দাবি, সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রকৃত ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা, নির্ধারিত শর্ত এবং আবেদনকারীদের মূল্যায়নের বিষয়গুলো স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করা উচিত। এতে কৃষকদের কাছে সার সরবরাহের কার্যক্রমে জবাবদিহি নিশ্চিত হবে এবং অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হবে।
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় অস্থায়ী ভিত্তিতে সার ডিলার নিয়োগের সুপারিশ ও অনুমোদন ঘিরে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি এবং রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনার অভিযোগ উঠেছে। বঞ্চিত কয়েকজন ব্যবসায়ী ও বিএনপির নেতাকর্মীদের একাংশের অভিযোগ, প্রকৃত ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে ডিলার নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। তালিকায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতিসহ বিএনপির ১১ জন এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তির নাম রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্ত। তিনি বলেছেন, সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করেই সার ডিলার নিয়োগের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা কার্যালয়ের ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের একটি স্মারকের পরিপ্রেক্ষিতে ৬ অক্টোবর সার ডিলার নিয়োগের পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা জারি করা হয়। নথি অনুযায়ী, জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সার ডিলার সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা কমিটি আবেদনকারীদের অনুমোদন দিয়েছে। নিয়োগগুলো অস্থায়ী ভিত্তিতে এবং নির্ধারিত শর্ত প্রতিপালন সাপেক্ষে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।
প্রাপ্ত নথিতে সাতক্ষীরা পৌরসভা এবং সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মোট ১৩টি স্থানে সার ডিলার নিয়োগের তথ্য পাওয়া গেছে। তালিকায় সাতক্ষীরা পৌরসভায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি অর্থ্য ইন্টারন্যাশনাল, বাঁশদহ ইউনিয়নে মেসার্স রানা ট্রেডার্স, কুশখালীতে মেসার্স বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজ, বৈকারীতে ভাই বোন ট্রেডার্স এবং ঘোনায় মেসার্স বিশ্বাস ট্রেডার্সের নাম রয়েছে। এ ছাড়া শিবপুর ইউনিয়নে মেসার্স নজরুল ট্রেডার্স, চোমরায় মেসার্স তামিম ট্রেডার্স, আলিপুরে মেসার্স জেনিত এন্টারপ্রাইজ, খুলিহরে ফোরটি ইন্টারন্যাশনাল, ব্রহ্মরাজপুরে মেসার্স হাসান ট্রেডার্স, আগরদাঁড়ীতে সরদার ট্রেডার্স, ঝাউডাঙ্গায় বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজ এবং খুলিহর এলাকায় দাইয়ান ট্রেডার্সের নাম উল্লেখ রয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, অনুমোদিত তালিকায় রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তাঁদের ভাষ্য, প্রকৃত ব্যবসায়ী এবং বিএনপির কিছু নেতাকর্মী ডিলারশিপ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
সদর উপজেলার আগরদাঁড়ী ইউনিয়নের রেজাউল ইসলাম সার ডিলারশিপ পেয়েছেন—এমন তথ্য ও নথির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে তাঁকে আগরদাঁড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করেই সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়নি।
স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের একটি অংশের দাবি, সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রকৃত ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা, নির্ধারিত শর্ত এবং আবেদনকারীদের মূল্যায়নের বিষয়গুলো স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করা উচিত। এতে কৃষকদের কাছে সার সরবরাহের কার্যক্রমে জবাবদিহি নিশ্চিত হবে এবং অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হবে।
ক্রাইম বার্তা