বিশেষ প্রতিনিধি: রাজধানীর গুলিস্তানের জিপিও মোড়ে অবস্থিত জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা থাকা আওয়ামী লীগের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীকে হেফাজতে নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযান শেষে রাতে কার্যালয়টিতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। ডিএমপি জানিয়েছে, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে কার্যালয়টি ঘেরাও করে গোয়েন্দা ও ক্রাইম পুলিশের যৌথ টিম এ অভিযান শুরু করে। পুলিশের দাবি, কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা থাকা আওয়ামী লীগ ও জাসদের নেতাকর্মীরা সেখানে একত্রিত হয়ে গোপন বৈঠক করছিলেন এবং উসকানিমূলক ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছিলেন। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করে স্থানীয় ছাত্র-জনতা। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে বিপুল সংখ্যক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা থাকা আওয়ামী লীগের লোককে আটক করা হয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। অভিযান শেষে কার্যালয়ে তালা দেওয়া হয়েছে।” ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশীদ সাংবাদিকদের জানান, “আটককৃতদের পল্টন থানায় নিয়ে তাদের পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যদি তাদের কোনো নাশকতামূলক পরিকল্পনা বা অপরাধমূলক কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও মামলা করা হবে। নিরপরাধ কেউ থাকলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে।” এর আগে জাসদ কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বৈঠক করছেন—এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে ভবনটির সামনে যুবদলের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ ও স্লোগান দেন। জাসদের ব্যাখ্যা ও প্রতিবাদ:এদিকে জাসদের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এটি কোনো গোপন বৈঠক ছিল না, বরং তাদের পূর্বনির্ধারিত কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভা ছিল। বিবৃতিতে বলা হয়, “এই কর্মসূচি সম্পর্কে ডিএমপি কমিশনার, ডিসি ও পল্টন থানাকে আগেই আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছিল। জাসদ কোনো নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল নয়।
সন্দহেে র্অধশতাধকি আটক
ক্রাইম বার্তা